Priyanka Chopra joins Politics: কমলা হ্যারিসকে নিয়ে প্রিয়াঙ্কার মন্তব্যে জল্পনা তুঙ্গে, রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা পিগির

যে কোনও বিষয়েই নিজের থেকে সবসময় পদক্ষেপ করেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তিনি বেশ সক্রিয়। প্রায়শই নিজের মতামত সোশ্যাল মিডিয়াতে পোষণ করে থাকেন পিগি চপস্‌। এবারেও তার অন্যথা হল না। সম্প্রতিই, কমলা হ্যারিসের সম্বন্ধে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে ‘ভগ’ ম্যাগাজিন। ম্যাগাজিনের কভারে জ্বলজ্বল করছে কমলা হ্যারিসের ছবি, সঙ্গে ক্যাপশন ‘দ্য ম্যাডাম ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস অ্যান্ড দ্য নিউ আমেরিকা’। এই ছবিই ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে কমলা হ্যারিসকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

ছবি পোস্ট করে প্রিয়াঙ্কা লেখেন, “ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলের ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখার পর, এটা নিশ্চিত যে আগামী দশদিনের মধ্যেই কমলা হ্যারিসের মতো একজন নেত্রী পাবেন মার্কিনীরা। কমলা হ্যারিস একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত। তাঁর মা-বাবা জন্মগ্রহণ করেছেন আমেরিকার বাইরে। ভারত থেকে আসা মানুষ যে দেশে প্রচুর সংখ্যক রাজনৈতিক মহিলা রয়েছেন, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে কমলা হ্যারিস মার্কিনের প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা নেত্রী। এটা ভাবতেও অবাক লাগে। এই ঘটনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম হতে পারে কিন্তু শেষ নয়”।

প্রিয়াঙ্কার এই মন্তব্য নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। এই ঘটনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শেষ ঘটনা নয়, এই কথার মধ্যে দিয়ে কী তাহলে তিনি নিজের রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে চাইলেন? এমন প্রশ্ন জেগেছে অনেকেরই মনে। কমলা হ্যারিসের প্রসঙ্গ টেনেই কী প্রিয়াঙ্কা নিজের রাজনীতির ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে কিছু বলতে চাইলেন কী না, এ নিয়ে শুরু হয়েছে বিস্তর জলঘোলা। তবে নিজে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু পরিষ্কার করে বলেননি প্রিয়াঙ্কা।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে নিজের পরবর্তী ছবির শুটিং-এর জন্য ইংল্যান্ডে রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। সেখানে গিয়ে এক স্যালোঁতে হাজির হওয়া নিয়ে ব্রিটিশ পুলিশের প্রশ্নের মুখে পড়েন পিগি। ব্রিটেনে করোনার নয়া স্ট্রেন দেখা দেওয়ায় চলছে লকডাউন। এই পরিস্থিতিতে প্রিয়াঙ্কা স্যালোঁতে কেন গেলেন, সেই নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। তবে এই বিষয়ে প্রিয়াঙ্কার টিমের বক্তব্য প্রযোজনা সংস্থার প্রয়োজনেই প্রিয়াঙ্কাকে সেখানে যেতে হয়।

RELATED Articles