গত মাসেই বাবাকে হারিয়েছেন তিনি। আচমকাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবার। বাবার মৃত্যুতে মানসিকভাবে একেবারেই ভেঙে পড়েছিলেন রচনা। বাবার মৃত্যু সংবাদ জানিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।
বিগত দশ বছর ধরে জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এ সঞ্চালনা করে আসছেন রচনা। কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর টেলিভিশন থেকে কিছুদিনের জন্য বিরতি নিয়েছিলেন তিনি। বাবার মৃত্যুর শোক কাটিয়ে উঠতে কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছিলেন রচনা। সেই সময় তাঁর হয়ে এই শো-এর সঞ্চালনার ভার সামলেছিলেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায় ও সৌরভ দাস।
কিন্তু জীবন তো থেমে থাকে না। মনকে শক্ত করে ফের কাজে ফিরেছেন রচনা। ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর পিকনিক স্পেশ্যাল এপিসোডে ফের নিজের পুরনো ভূমিকায় দেখা গিয়েছে রচনাকে। তিনি ফের ফিরে আসায় একদিকে যেমন খুশি চ্যানেল কর্তৃপক্ষ, তেমনই বেশ উচ্ছ্বসিত তাঁর অনুরাগীরা। রচনাকে কয়েকদিন দেখতে না পাওয়ায় বেশ আক্ষেপ জানিয়েছিলেন দর্শকরা।
সম্প্রতি, নিজের চ্যানেল রচনা’স ক্রিয়েশন থেকে আবারও লাইভে এসেছিলেন অভিনেত্রী। এদিন লাইভে এসে বাবাকে স্মরণ করে ফের কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। রচনার কথায়, তিনি আজ যে জায়গায় পৌঁছেছেন, তা তাঁর বাবার অনুপ্রেরণা ছাড়া সম্ভব হত না। বাবার জন্যই তিনি এতটা পথ এগিয়ে আসতে পেরেছেন। রচনা জানান বাবার বলে যাওয়া কথা ও মায়ের অনুপ্রেরণাতে তিনি ফের কাজে ফিরতে পেরেছেন।
এদিনের লাইভের শুরুতেই রচনা জানান যে তিনি তাঁর দর্শকদের বলেছিলেন যে রচনা’স ক্রিয়েশনে সকলের জন্য শাড়ির সম্ভার নিয়ে আসবেন। কিন্তু জীবনের কঠিন পরিস্থিতির কারণে তা তিনি করে উঠতে পারেন নি। এর জনব্য সকলের কাছে লাইভে ক্ষমা চান রচনা। তবে ধীরে ধীরে নিজের মনকে শক্ত করে তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন বলেও জানান অভিনেত্রী।





