শোভন বৈশাখীর মাখো মাখো প্রেমের মাঝে নিজেকে লক্ষ্মী বলে দাবি করলেন রত্না! ‘নারায়ণ ছেড়ে গেলেও আমি চট্টোপাধ্যায় বাড়ির লক্ষ্মী’, মন্তব্য শোভন জায়ার

দুর্গা পূজার পরেই লক্ষ্মী পূজা, বাঙালির অন্যতম উৎসব। সব বাড়িতেই যথেষ্ট হইহই করেই মা লক্ষ্মীর আহ্বান করা হয়। ফিল্ম স্টার থেকে রাজনীতিবিদ কেউই বাদ যান না। দীর্ঘদিনের রীতি মেনে শ্বশুর বাড়িতে পূজা করেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। সম্প্রতি শোভন বৈশাখীর প্রেম কাহিনীর মাঝে তিনি অবশ্য পূজা করতে ভোলেননি। বরং নিয়ম মেনেই পূজা করলেন তিনি।

যদিও শোভন চট্টোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই এই বাড়িটি তার বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় এর নামে করে দিয়েছেন। বিতর্ক বাড়িয়ে বৈশাখী টিভি দাবি করেছিলেন কিছুদিনের মধ্যেই রত্না দেবীকে বাড়ি ছাড়ার নোটিশ পাঠাবেন। তবে এসব বিতর্কের মাঝেই মা লক্ষ্মীর পূজার আয়োজন করেন তিনি।লাল পেড়ে সাদা শাড়িতে পুজোর জোগাড়, সবই নিজের হাতে করলেন রত্না দেবী। এসব দেখে প্রশ্ন দশমীর দিন স্বামী বৈশাখী কে সিঁদুর পরানোয় কি এবারে আরো বেশি সক্রিয় রত্না দেবী?

তবে এসব প্রশ্ন সামনে আসতেই কড়া জবাব বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানান ‘নারায়ণ’ বাড়ি ছেড়ে গেলেও, ‘লক্ষ্মী’ এই বাড়ি ছেড়ে যাবে না।পুজোর ফাঁকেই তিনি নিজেকে এই বাড়ির লক্ষ্মী বলে দাবি করেন। তাঁর কথায়, ‘প্রতি বছর লাল পেড়ে সাদা শাড়ি পরে আমি লক্ষ্মী পুজোর অঞ্জলি দিই, আমি এই বাড়ির মা লক্ষ্মী। শোভনবাবু আমাকে মা লক্ষ্মী করেই এনে ছিলেন। মা লক্ষ্মী রয়ে গিয়েছেন, নারায়ণ চলে গিয়েছেন। আমি চট্টোপাধ্যায় বাড়ির ছোট বউ। আমি শ্বশুরবাড়ির সব লোকজনকে নিয়ে প্রতি বছর লক্ষ্মী পুজো করি, এবারও সকলে উপস্থিত রয়েছে’।

তথ্য সূত্র : Hindustan Times Bangla

স্ত্রী এদিকে যখন লক্ষ্মী পূজার ব্রত পালন করছেন, অন্যদিকে ভরা বিজয়া দশমীর মধ্যে বান্ধবী বৈশাখীকে সকলের সামনেই সিঁদুর পরিয়ে দিয়েছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। যা দেখে বৈশাখী দেবীকে রত্না কটাক্ষ করে বলেছিলেন “র’ক্ষিতা” বান্ধবীর অপমান সহ্য করতে না পেরে শোভন চট্টোপাধ্যায় পাল্টা স্ত্রীকে “র’ক্ষিতা” বলেই দাবি করেন।

২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায় কে ছেড়ে শোভন চট্টোপাধ্যায় তার বান্ধবী বৈশাখী বন্দোপাধ্যায় কে নিয়ে গোলপার্কের একটি আবাসনে আসেন। সেই থেকেই রত্না চট্টোপাধ্যায় ছেলে সপ্তর্ষি ও মেয়ে সুহানিকে নিয়ে থাকেন তিনি। পুজোর আগে শোভন চট্টোপাধ্যায় এই বাড়িটি তার স্ত্রীর নামে করে দিয়েছেন। সূত্রের খবর কোটি টাকায় বিক্রি হয় এই বাড়ি। এদিকে রত্না চট্টোপাধ্যায় যে বাড়ি ছাড়বেন না তা এক প্রকার নিশ্চিত। রাজনীতির মাঝে স্বামী-স্ত্রীর এমন দাম্পত্য কলহ আগে কখনো বাংলায় দেখা গেছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে।

Khabor24x7 Desk

আরও পড়ুন

RELATED Articles