ফের হাসপাতালে ভর্তি সন্ধ্যা রায় (Sandhya Roy)। বুকে অস্বস্তি নিয়ে দক্ষিণ কলকাতার এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাকে। সন্ধ্যা রায়ের সহকারী জানান, “আচমকাই বুকে অস্বস্তি শুরু হয়। জানার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে আসি ওঁকে।” আপাতত হাসপাতালে তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। কী হয়েছে এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রীর (Sandhya Roy) তা স্পষ্ট ভাবে জানা যায়নি চিকিৎসকদের তরফে। তবে দিন কয়েক হাসপাতালে ভর্তি থাকবেন অভিনেত্রী একথা জানিয়েছেন তার সহকারী।
সাদা কালো থেকে রঙিন যুগ সর্বত্রই নিজের অভিনয়ের দক্ষতায় জয় করেছেন সন্ধ্যা রায় (Sandhya Roy)। বাংলা সিনেমায় দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে অভিনয় করছেন সন্ধ্যা রায়। বছর তিনেক আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন অভিনেত্রী (Sandhya Roy)। এদিকে ২০২২ সালের জুলাই মাসে স্বামী তরুণ মজুমদারকে হারান তিনি। দীর্ঘদিন একসঙ্গে না থাকলেও কাগজে-কলমে আলাদা হননি কখনই। ১৯৬৭ সালে বিখ্যাত পরিচালক তরুণ মজুমদারের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন সন্ধ্যা রায়।
মাত্র ১৬ বছর বয়সে অভিনয় জগতে পা রাখেন সন্ধ্যা রায় (Sandhya Roy)। তাঁর প্রথম ছবি ছিল ‘মামলার ফল’, ১৯৫৭ সালে। অসামান্য অভিনয় কৌশলের জন্য তিনি অনায়াসেই যে কোন চরিত্র করে ফেলতে পারতেন। সন্ধ্যা রায়ের অন্যতম চর্চিত ছবিগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য সত্যজিৎ রায়ের ‘অশনি সংকেত’ তরুণ মজুমদারের ‘ঠগিনী’।
‘বাবা তারকনাথ’, ‘দাদার কীর্তি’, ‘ছোট বউ’ -এর মতো বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রতে অভিনয় করেছেন সন্ধ্যা রায় (Sandhya Roy)। দর্শকদের অসংখ্য ছবি উপহার দিয়েছেন। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘মায়া মৃগয়া’, ‘কঠিন মায়া’, ‘বন্ধন’, ‘পলাতক’, ‘তিন অধ্যায়’, ‘আলোর পিপাসা’, ‘ফুলেশ্বরী’, ‘সংসার সীমান্তে’, ‘নিমন্ত্রণ’।
অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতির ময়দানেও সফল হয়েছেন তিনি (Sandhya Roy)। ২০১৪ সালের তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে লড়ে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৯ এর নির্বাচনে বয়সজনিত কারণে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান বর্ষীয়ান অভিনেত্রী।





