‘আহারে, পার্থবাবুর একটু ইচ্ছে করতে পারে না’, অর্পিতার ফ্ল্যাটে ‘সে’ক্স টয়’ উদ্ধারের পর খোঁচা শ্রীলেখার

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি গ্রেফতার করেছে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর ঘনিষ্ঠ বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে। এই নিয়ে প্রথম থেকেই অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র বারবার সরব হয়েছেন। কখনও তিনি ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন রাজ্য সরকারের উপর, তো কখনও আবার নিজের হতাশাও প্রকাশ করেছেন।

শ্রীলেখার কথায়, ইডির তদন্তের জেরে শুধু পার্থ বা অর্পিতাই নন, আরও বড় বড় রাঘব বোয়ালরাও বেরিয়ে আসবে। অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে টাকার পাহাড়, গয়না উদ্ধারের পর নানান মন্তব্য তো করেইছিলেন শ্রীলেখা। এবার অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে ‘সে’ক্স টয়’ উদ্ধারের ঘটনাতেও খোঁচা দিলেন তিনি।  

শ্রীলেখা একটি খবরের চ্যানেলের স্ক্রিনশট শেয়ার করে পোস্টে লিখেছেন, “আহারে তোমরা যেন কী? পার্থবাবুদের একটু ইচ্ছে করতে পারে না! শোনো বয়স কোনও বাধা নয়, জাত কোনও বাধা নয়, যৌনতা বার বার”

‘আহারে, পার্থবাবুর একটু ইচ্ছে করতে পারে না’, অর্পিতার ফ্ল্যাটে ‘সে’ক্স টয়’ উদ্ধারের পর খোঁচা শ্রীলেখার

উল্লেখ্য, এসএসসি দুর্নীতিতে ইডি-র তদন্ত যত এগোচ্ছে, একের পর এক পেঁয়াজের খোলসের মতো নানান তথ্য যেন বেরিয়ে আসছে এই পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে কেন্দ্র করে। অর্পিতার রথ বেলঘড়িয়ার তলার ফ্ল্যাট থেকে ৩১ কোটি টাকা ও তাল তাল সোনা-রুপোর বাট ছাড়াও মিলেছে আরও দুটি চমকপ্রদ জিনিস, দুটি সে’ক্স টয়।

এই দুটি জিনিস উদ্ধারের পর তা নিয়ে যেন চাঞ্চল্যের শেষ নেই। তবে একাকী এক মহিলার ফ্ল্যাট থেকে ওরকম কোনও জিনিস মেলা, খুব একটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে এই উদ্ধারের পর নেটপাড়ায় পার্থ ও অর্পিতার সম্পর্ক নিয়ে শুরু হয়েছে নানান মশকরা।  

নানান সূত্র থেকে পার্থ ও অর্পিতার রসালো প্রেম কাহিনীর কথাও জানা যাচ্ছে। মডেল-অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলার জন্য নাকি ভুয়ো সিমকার্ড ব্যবহার করতেন পার্থ। এমনকি, রাত গভীর হলেই লং ড্রাইভে বেরিয়ে পড়তেন তাঁরা। ছুটি পেলেই নাকি দু’জনে চলে যেতেন অর্পিতার মামার বাড়ি।

এসএসসি দুর্নীতির তদন্তে নেমেই পার্থর ঘনিষ্ঠ বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের কথা জানা যায়। অর্পিতার টালিগঞ্জের ফ্ল্যাট থেকে ইডি উদ্ধার করে ২১ কোটি টাকা ও ৫০ লক্ষের বেশি টাকার গয়না। এরপর গতকাল, বুধবার অর্পিতার রথতলার ফ্ল্যাটে হানা দিয়ে উদ্ধার হয় ৩১ কোটি টাকা ও একাধিক সোনা ও রুপোর বাট।

এসবের মধ্যেই নানান তথ্য মিলছে পার্থ ও অর্পিতার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে। জানা গিয়েছে, মহম্মদ সাবিরের নাম করে তিলজলার ভুয়ো ঠিকানা দিয়ে সিম কার্ড নিয়ে সেই নম্বর থেকে অর্পিতার সঙ্গে ফোনালাপ সারতেন পার্থ। আদালতে এই রিপোর্ট জমা করবে ইডি। এমনকি, মাঝরাতে মাঝেমধ্যেই চলে যেতেন লং ড্রাইভে। অর্পিতা-পার্থর ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, তারা দু’জন নাকি সময় পেলেই পার্থর বেগমপুরের বাগানবাড়িতে সময় কাটিয়েও আসতেন।

আরও অন্যান্য খবর