এতদিন আমরা শুনে এসেছিলাম গল্পের গরু গাছে ওঠে। তবে বর্তমানে স্টার জলসার তিতলি ধারাবাহিকটি দেখে দর্শকরা বলছেন যে এই গল্পের লেখকের গল্পকে আসলে আকাশে উঠিয়ে দিয়েছেন।কিন্তু কেন হঠাৎ দর্শকরা এত ক্ষিপ্ত হলেন এই ধারাবাহিকের ওপর?
ধারাবাহিকের প্রোটাগনিস্ট তিতলি মেয়েটি কানে শুনতে পায় না। সকলের ঠোঁট পড়ে কথা বলে। সেই মেয়েই প্রথমবার প্লেনে উঠেছে যাত্রী হিসাবে। সেই প্লেনের এক পাইলটের হঠাৎই হার্ট অ্যাটাক হয়। সেই মুহূর্তে হঠাৎই তিতলি ছুটে গেল ককপিটের দিকে। এমনকি তার স্বামীও তার পিছন পিছন ছোটে সেদিকে। তারপর ককপিটে ঢুকে বরকে হেডফোন পড়তে বলে কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে তিতলি। তারপর প্লেন ওড়াল সে!
ধারাবাহিকের এই প্রোমো দেখেই দর্শকরা হাসবেন না কাঁদবেন বুঝতে পারছেন না।ধারাবাহিকের অভিনেতা-অভিনেত্রী লেখক নির্মাতা-প্রযোজক সকলকে নিয়ে শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র ট্রোলিং। তাদের কথায় কতটা গাঁজা সেবন করলে এরকম গাঁজাখুরি গল্প লেখা যায় এবং কতটা সাহস থাকলে এই প্রমো সামনে নিয়ে আসার সাহস দেখান নির্মাতারা!তাদের বক্তব্য, দর্শকদের কি এতটাই বোকা ভাবেন নির্মাতারা?
যদিও চ্যানেল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এখনো পর্যন্ত এই বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।তবে বাংলা ধারাবাহিক এই রকম অদ্ভুত গল্প নতুন নয়। এর আগে জবাও শাড়ি পরে কাঁচি দিয়ে বম্ব ডিফিউজ করেছিল। কৃষ্ণকলি ধারাবাহিকের অপারেশন থিয়েটারে ইলেকট্রিক শক দেয়ার মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট এর বদলে স্কচ বাইট ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই নিয়েও সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু তারপরেও যে নির্মাতাদের শিক্ষা হয়নি তা এই ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো দেখেই স্পষ্ট হয়ে গেল।





