Jiban Krishna Saha message to TMC workers: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। প্রায় এক বছর ছিলেন জেলবন্দি। সদ্যই জামিনে ছাড়া পেয়েছেন মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। এবার জেল থেকে ছাড়া পেয়েই যেন নৈতিক হয়ে উঠলেন অভিযুক্ত। তাঁর পোস্ট নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল চর্চা (Jiban Krishna Saha message to TMC workers)। আচমকা চৈতন্য হল নাকি তৃণমূল বিধায়কের?
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘদিন জেল খেটেছেন তিনি। সম্প্রতিই ছাড়া পেয়েছেন জেল থেকে। আর জেল থেকে বেরিয়ে যেন তাঁর চেতনা ফিরেছে। নাহলে তাঁর হাত দিয়ে এমন পোস্ট ভাবাই যায় না। তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশে জীবনকৃষ্ণের বার্তা, “পদ মানে ক্ষমতা নয়। পদ মানে দায়িত্ব। পদ মানে লুটেপুটে খাওয়া নয়। লোককে সেবা করা। এটা ভুলে গেলে আসে অহংকার। তারপর পতন” (Jiban Krishna Saha message to TMC workers)। যদিও এই চ্যাটের সত্যতা যাচাই করে নি খবর ২৪x৭।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়ি তল্লাশি চালায় সিবিআই। সেই ঘটনা কোনও নাটকের থেকে কম কিছু নয়। বিধায়কের বাড়ি যখন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে ব্যস্ত, সেই সময় জীবনকৃষ্ণ নিজের দুটি মোবাইল বাড়ির পাশের পুকুরে ছুঁড়ে ফেলে দেন। এরপর তাঁকে গ্রেফতার তো করা হয়ই, এমনকি সেই পুকুরের জল দু’দিন ধরে ছেঁচে বের করে উদ্ধার করা হয় মোবাইলদুটি।
জীবনকৃষ্ণের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ লোপাট করার অভিযোগ উঠেছিল, তদন্তকারী সংস্থা এও দাবী করেছিল, তাঁর ফোনের চ্যাট থেকে এক চাকরিপ্রার্থীর সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের প্রমাণও মিলেছে। গ্রেফতার হওয়ার পর জীবনকৃষ্ণ জামিনের জন্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলে তাঁর সেই জামিন খারিজ হয়ে যায়। পরবর্তীতে তিনি সুপ্রিম কোর্টে যান। সেখানে তাঁর জামিন মঞ্জুর হয়।
তবে জেল থেকে বেরিয়ে জীবনকৃষ্ণের এহেন পোস্ট দেখে বেশ চর্চা শুরু হয়েছে (Jiban Krishna Saha message to TMC workers)। অনেকেরই প্রশ্ন জেল খাটার পর কী চৈতন্য ফিরেছে নাকি তৃণমূল বিধায়কের? তিনি জেলে যাওয়ার পর তৃণমূল কর্মীদেরই একাংশের মত ছিল, জীবনকৃষ্ণের জন্য দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। যদিও বিধায়ক বারবার দাবী করেছিলেন, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। তিনি নাকি নির্দোষ। ফলে দলের ভাবমূর্তি ফের স্বচ্ছ করতেই কী কর্মীদের এমন বার্তা দিলেন জীবনকৃষ্ণ (Jiban Krishna Saha message to TMC workers)? এমন নানান প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে।





