বরাবরই লাজুক, চুপচাপ, শান্ত স্বভাবেই পর্দার সামনে ধরা দিয়েছেন অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। কিন্তু ধীরে ধীরে নিজের চেনা ছকের বাইরে ধরা দিতে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রীকে। কিছুদিন আগেই স্লিভলেস ব্লাউজের সঙ্গে শাড়ি পরে দশমীর সাজে একটি ছবি পোস্ট করেন সোহিনী, যা নেটদুনিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়। এই ছবিকে ঘিরে তুমুল বিতর্কের ঝড় ওঠে। অনেকে মন্তব্য করেন যে কোনও বাঙালি মেয়েরা এরকম ব্লাউজ পরে দশমীর বিসর্জনে যায় না, আবার অনেকের মতে বিজয়া দশমী বাঙালীর আবেগ, সেই আবেগকে এরকম পোশাক দিয়ে আঘাত করা মোটেই সোহিনীর উচিত হয়নি।
সেই ঘটনার ইতি ঘটলেও সম্প্রতি আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় নেট জনতার রোষের মুখে পরেন সোহিনী। সম্প্রতি তার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এখানে দেখা যাচ্ছে দশমীতে সিঁদুর খেলার পর তুমুল নাচে ব্যস্ত অভিনেত্রী। তাকে ঘিরে রয়েছে দর্শকের একটি ছোটো ভিড়। এই ভিড়ে সামিল হয়েছেন সোহিনীর বিশেষ বন্ধু রণজয়ও। কিন্তু বাঙালীর এই উৎসবে করোনার সুরক্ষাবিধি না মেনেই সকলের সঙ্গে নাচে সামিল হয়েছেন সোহিনী।
ভিডিও’য় দেখা গেছে, সোহিনীর আশেপাশে যারা ছিলেন, তাদের কারোর মুখেই মাস্ক নেই। এমনকি সোহিনী বা রণজয়ও মাস্ক পরেননি। মেনে চলা হয়নি সামাজিক দূরত্বও। এই নিয়েও নেটদুনিয়ায় ট্রোল হতে শুরু করেছেন সোহিনী। পশ্চিমবঙ্গে করোনা যে কী মারাত্বক আকার ধারণ করেছে, তা কারোর অজানা নয়। এমন সময় দাঁড়িয়ে একজন শিল্পী হয়েও কীভাবে তিনি এমন দায়িত্বজ্ঞানহীনতার মতো কাজ করলেন, এই প্রশ্নই দর্শকদের মুখে উঠে এসেছে বারবার। যেখানে টলিউডের একাধিক তারকা এই অতিমারির শিকার হয়েছে, সেখানে সোহিনীর মতো একজন বিচক্ষণ ব্যক্তিত্বের কাছ থেকে এরকম কাজ মোটেই প্রত্যাশিত নয়।
কিছুদিন আগেই রণজয় সোহিনীর জন্মদিন পালন করেন একেবারে অন্যরকমভাবে। জন্মদিন পালন করতে তারা কোথায় গিয়েছিলেন তা অবশ্য জানা যায়নি। কিন্তু সাবেকি বাঙালি খাবার দিয়ে সারা হয় জন্মদিনের ভুরিভোজ। সেসব খাবারের ছবি রণজয়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। সোহিনীর জন্মদিনের সেই ছবি যথেষ্ট ভাইরাল হয়েছিল সেই সময়।





