টলিউডে আবারো শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাংলা টেলিভিশনের প্রখ্যাত চিত্রনাট্যকার ঋতম ঘোষাল মারা গেছেন। বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। কিছু দিন আগে অভিনেতা তমাল রায়চৌধুরীর মৃত্যুর পরে এ খবর আরও খারাপ স্বাদ ছড়িয়েছে। খবরটি প্রথম জানা যায় গবেষক ও চিত্রনাট্যকার শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে।
জানা গেছে, পুরী থেকে ফেরার পথে হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন ঋতম ঘোষাল। সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ও কন্যা। কলকাতায় পৌঁছানোর পর তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, কিন্তু চিকিৎসা সত্ত্বেও আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এই অকালপ্রয়াণে তাঁর পরিবার ও সহকর্মীরা গভীরভাবে শোকাহত।
শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ঋতম ছিলেন বনেদি পরিবারের সন্তান। তবুও তাঁর পেশাজীবন ছিল দীর্ঘ সংগ্রামের প্রতিফলন। তিনি পারদর্শীভাবে ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক কাহিনীকে পর্দায় জীবন্ত করার ক্ষমতা রাখতেন। তাঁর বন্ধুদের মতে, ঋতমের সঙ্গে ব্যক্তিগত ও পেশাগত বন্ধুত্ব সবসময় গভীর ও আন্তরিক ছিল।
ঋতম ঘোষালের কাজের মধ্যে রয়েছে ‘মহাপীঠ তারাপীঠ’, ‘কিরণমালা’, ‘দেবী চৌধুরাণী’, ‘কৃষ্ণ’, ‘সাধক রামপ্রসাদ’-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিক। এই সকল সিরিজে তাঁর গবেষণামূলক দক্ষতা এবং সামাজিক নাটকের সূক্ষ্ম বুনন বিশেষভাবে চোখে পড়ত। সহকর্মীরা তাঁর প্রয়াণকে মেনে নিতে পারছেন না এবং টলিপাড়া শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছে।
আরও পড়ুনঃ টানা দু’বার জিতেও, নির্ভরযোগ্য মুখ চিরঞ্জিত চক্রবর্তীকে বাদ ২০২৬-এর লড়াই থেকে! অভিজ্ঞ নেতাকে টিকিট না দেওয়ায় জোর জল্পনা, দলীয় অন্দরে কি অস্বস্তির ইঙ্গিত? কী প্রতিক্রিয়া অভিনেতার?
সোশ্যাল মিডিয়ায় বহু টলিউড ব্যক্তিত্ব ঋতমের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন। সবাই তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন। অনেকের মুখে এখন একটাই প্রার্থনা—‘মা তারার কোলে ভালো থাকিস’। এই শোকের সময়ে টলিপাড়া এক প্রিয় প্রতিভাকে হারিয়েছে।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!