তারানাথ তান্ত্রিক (taranath tantrik) ও ফেলুদা (feluda) একই সাথে বললে মাথায় আসে যার নাম তিনি বাংলা চলচ্চিত্র জগতের জনপ্রিয় অভিনেতা টোটা রায় চৌধুরী (Tota Roy Chowdhury)। ৯০ এর দশকের দুরন্ত প্রেম ছবিতে তাকে ভিলেন রূপে দেখা গিয়েছিল, তারপর তার দীর্ঘ কর্মজীবনে একাধিক শেডের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি, কখনও হয়েছেন হিরো, তো কখনও গোয়েন্দা।
সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা কাহিনীর উপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া ওয়েব সিরিজে ফেলুদার চরিত্রে দেখা গেছে তাকে। শুধু বাংলা ইন্ডাস্ট্রি নয় বলিউডের করণ জোহরের তৈরি করা সিনেমা ‘রকি অউর রানি কি প্রেম কাহিনী’তেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি আবার ছোট পর্দায় ফিরে এসেছেন স্টার জলসার শ্রীময়ী ধারাবাহিকে শ্রীময়ীর প্রেমিক ও বর রোহিত সেন রূপে।
অভিনয়ের পাশাপাশে মার্শাল আর্টের জন্য তিনি বিখ্যাত। এমনকি তার বডি ফিটনেস নিয়েও রীতিমতো প্রশংসা হয়। তবে অনেকেই জানেন না টোটা রায় চৌধুরীর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে। আসলে টোটার পরিবারের মানুষজন লাইম লাইটের আড়ালে থাকতেই ভালোবাসেন। টোটা রায়চৌধুরীর স্ত্রীর নাম শর্মিলি রায় চৌধুরী।
ভালোবেসে বিয়ে হয় শর্মিলি ও টোটার। ২০০৫ সালে বিয়ে করেন তারা। এরপর দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে একে অন্যকে বেঁধে রেখেছেন তারা। অন্যান্য অভিনেতাদের জীবন নিয়ে গসিপ হলেও টোটা রায় চৌধুরীর নামে কিন্তু কখনোই কোন গসিপ শোনা যায় না। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন তিনি তার স্ত্রীকে ভীষণ ভালবাসেন।টোটা ও শর্মিলির একমাত্র মেয়ে মৃগাক্ষী রায় চৌধুরী ও লাইম লাইটের আড়ালে থাকতেই ভালোবাসেন।
তবে মাঝেমধ্যে টোটা ও শর্মিলি তাদের মেয়ের ছবি পোস্ট করেন। টোটার মেয়ের সম্পর্কে জানা যায় বাবার পথে হেঁটে অভিনয় যেতে চায় না সে। অভিনেত্রী হওয়ার এতটুকু ইচ্ছা নেই তার। পড়াশোনাতে কিন্তু ভীষণ ভালো মৃগাক্ষী। ICSE পরীক্ষাতে ৯৩% নাম্বার পেয়েছিল সে। একবার একটি সাক্ষাৎকারে মেয়ের সম্পর্কে বলতে গিয়ে টোটা বলেছিলেন, তার মেয়ে অভিনেত্রী হতে চায় না বরং অ্যানিমেশন ,আর্ট ও গেমিং নিয়েই ক্যারিয়ার গড়তে চায়।





