‘মেয়েটা কিউট কিন্তু ভাইয়ের মতো ফর্সা নয়’, গায়ের রঙ নিয়ে কটাক্ষ অক্ষয় কুমারের ছোট্ট মেয়েকে, কী জবাব দিলেন টুইঙ্কেল খান্না?

অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar) টুইঙ্কল খান্নার‌ (Twinkle Khanna) দুই সন্তান আরভ ও নিতারাকে নিয়ে সুখের সংসার। টাইমস অফ ইন্ডিয়া লেখা কলমে টুইঙ্কলকে লিখতে দেখা গেছে যে কিভাবে বাচ্চাদের বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন বই পড়া। নানান কাহিনী তিনি গুছিয়ে লেখেন। এক আত্মীয় নিতারা-র গায়ের রং নিয়ে কটাক্ষ করার পর সাঁতার ছেড়ে দিয়েছিলেন অক্ষয় কুমারের (Akshay Kumar) মেয়ে। তবে মাত্র একটা বই তার মেয়ের সিদ্ধান্ত বদল করার জন্য যথেষ্ট ছিল।

টুইঙ্কল (Twinkle Khanna) লিখেছিলেন, “এমন একটি সময় ছিল যখন আমার ছোট্ট মেয়ে (নিতারা) তার সাঁতার শেখা বন্ধ করতে চেয়েছিল। যার অন্যতম কারণ ছিল ওর গায়ে থাকা ট্যান। ‘আমি ভাইয়ার মতো একই রঙের হতে চাই’, মাথায় ঢুকে গিয়েছিল ওর। তার কানের মধ্যে এক বোকা আত্মীয় ঢুকিয়ে দিয়েছিল এমনটা। ‘মেয়েটা এত কিউট কিন্তু ওর ভাইয়ের মতো ফর্সা নয়’, মন্তব্য করে!”

টুইঙ্কল (Twinkle Khanna) আরও লেখেন, “আমি তাকে (নিতারা) ফ্রিদা কাহলোর সচিত্র জীবনী দিয়েছিলাম। তাঁরই মতো এমন চকচকে ত্বক নয় যার, জোড়া ভ্রু সহ, রোল মডেল হিসাবে দুর্দান্ত প্রতিভাবান মহিলা। আজকাল নিতারা দাবি করে, ‘সাদা একটি হালকা রঙ, তাই এটি আমার টি-শার্টের মতো দ্রুত নোংরা হয়ে যায়; বাদামী গাঢ় হয়, তাই এটি হয় না’।”

উল্লেখ্য, বউয়ের (Twinkle Khanna) প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে দেখা যায় অক্ষয় কুমারকে (Akshay Kumar)। শিখর ধাওয়ানের ধাওয়ান কারেঙ্গেতে অক্ষয়কে (Akshay Kumar) বলতে শোনা যায়, “আমি তো নিরক্ষর মানুষ। সেরকম পড়াশোনাও করিনি। আমি গাধার মতো কায়িক পরিশ্রম করি। আর ও বুদ্ধিমান। আমি যখন কাজে যেতাম, তিনি আমার সন্তানদের (আরভ ও নিতারার) খুব যত্ন নিয়েছেন। আমি অবাক হই এটা ভেবে যে, আমার স্ত্রী আজও জীবনকে কীভাবে দেখে। ওঁর বয়স বর্তমানে ৫০, এখনও পড়াশোনা করে চলেছেন। তিনি মাস্টার্স শেষ করে এখন পিএইচডি করছেন।”

কিছুদিন আগে নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় টুইঙ্কেল খান্না (Twinkle Khanna) মেয়ের সাথে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। এখানে মেয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন মা। মেকআপ করার ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে টুইঙ্কল (Twinkle Khanna) লেখেন, “এটা উইকএন্ডে মেকওভার ছিল। আমি মনে করি ভবিষ্যতে সেলিব্রিটি মেকআপ আর্টিস্ট হতে চলেছে নিতারা (ভিডিয়োটি সেলিব্রিটি মেকআপ আর্টিস্ট নম্রতা সোনিকে ট্যাগও করেছেন টুইঙ্কল)।” তিনি আরও লিখেছেন, “কখনও নিজের বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটানো অনেক মজার ও সুন্দর বিষয় হয়ে উঠতে পারে। আপনার বাচ্চা এমন কিছু করে বসতে পারে, যার ফলে আপনি জোরে জোরে হাসতেও বাধ্য হতে পারেন।”

RELATED Articles