দেশজুড়ে ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে করোনা ভাইরাস। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ এই ভাইরাসের কবলে পড়ছেন। নিত্যদিন মৃত্যুও হচ্ছে একাধিক মানুষের। এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজন দ্রুত টিকাকরণ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকা ১০০ শতাংশ সুরক্ষার গ্যারন্টি দিচ্ছে না।
একবার যে মানুষ করোনাকে জয় করেছেন, তাঁর আবার দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্ত হওয়ার নজিরও দেখা গিয়েছে। এই সময় দরকার সঠিক জীবনধারা। এই মারণ ভাইরাসের থেকে দ্বিতীয়বার নিজেকে কীভাবে বাঁচাবেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, একজন ব্যক্তি করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরলেই তাকে অতি শীঘ্রই নিজের টুথব্রাশটি বদলে ফেলা উচিত। এর ফলে দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্ত হওয়া থেকে তাকে সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি একই ওয়াশরুম ব্যবহার করা পরিবারের বাকি সদস্যদের কেও সুরক্ষা দেবে।
এই বিষয়ে নয়া দিল্লির লেডি হার্ডিঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডাঃ প্রদীশ মেহরা জানান, “আপনি বা আপনার পরিবারের কোনও সদস্য বা বন্ধু যদি মারণ ভাইরাসের করালগ্রাসে এসে সুস্থ হয়ে উঠেন, তাহলে তাকে অবিলম্বে নিজের টুথব্রাশ ও মাউথ ফ্রেশনার পরিবর্তন করা উচিত। এককথায় ফেলে দেওয়া দরকার”। এই একই পরামর্শ দিচ্ছেন অন্যান্য চিকিৎসকরাও।
আরও পড়ুন- করোনাকালে জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত, কীভাবে বাড়াবেন শরীরের ইমিউনিটি, জানুন
কিন্তু এর কারণ কী?
করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তিদের শীঘ্রই টুথব্রাশ, মাউথ ফ্রেশনার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বদলে ফেলার প্রয়োজন কারণ, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গ্যানাইজেশন থেকে আগেই জানানো হয়েছে যে এই ভাইরাস কাশি, হাঁচি, কথা বলা, হাসির সময় মুখ থেকে নির্গত ক্ষুদ্র কণার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এই কারণেই ভালোভাবে হাত ধুয়ে তবে চোখ, মুখ স্পর্শ করা দরকার। তাছাড়া, এই ভাইরাস বায়ুবাহিত।
এই পরিস্থিতিতে একজন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির টুথব্রাশ বা মাউথ ফ্রেশনার থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে শতগুন। এর ফলে কোনও ব্যক্তি পুনরায় আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি, বাকিরাও তা থেকে সংক্রমিত হতে পারে। এমনকি করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের সব জিনিসই বাকিদের জিনিসগুলোর থেকে আলাদা রাখা উচিত বলেও চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন।





