Bangladesh: বিএনপি-ছাত্রদল বনাম এনসিপি! খুলনা-শরীয়তপুরে নির্বাচনী নাশকতা, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন!

বাংলাদেশে নির্বাচনকে সামনে রেখে সামাজিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেতে শুরু করেছে। সাধারণ মানুষজনের দৈনন্দিন জীবনেও এর প্রভাব পড়ছে। ঘরে বাইরে এক ধরণের অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে উদ্বেগ লক্ষণীয়। ভাঙচুর, সংঘর্ষ এবং হামলার খবর নিয়মিত হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে সকলের চোখ এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দিকে।

সোমবার রাতেও ঢাকার পাশাপাশি খুলনা ও শরীয়তপুরে অশান্তি ছড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খুলনায় একটি বিক্ষোভ মিছিল চলাকালীন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এনসিপি-র শ্রমিক নেতা মোতালেব শিকদার। এদিকে, কয়েক দিন আগে ইনকিলাব মঞ্চের তরুণ নেতা ওসমান হাদি হত্যার ঘটনা রাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিক্ষোভ মিছিল চলাকালীন সময়েই বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় এনসিপি। সংঘর্ষের সময় ককটেল বিস্ফোরণেরও অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।

শরীয়তপুরে সংঘর্ষ এবং ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নাশকতার কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি সতর্ক করেছেন, যে কোনও মূল্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। তাঁর নির্দেশ প্রতিফলিত হয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার শেখ মুহাম্মদ সাজ্জাত আলির বার্তাতেও। সোমবার ঢাকা শহরের ৫০টি থানার ওসিদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং হামলার খবর সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানট ও উদীচী এমন সংঘর্ষ থেকে বাদ যায়নি। এমনকি সংবাদপত্রের অফিসেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচনকে ঘিরে এই ধরনের নাশকতা এবং রাজনৈতিক অশান্তি সামাল দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ Minor Abused: “সাত বছরের মেয়েকে তুলে নিয়ে ঘৃণিত অপরাধ” —পলাতক অভিযুক্ত, দাবি এলাকাবাসীর!

অভিজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই পুলিশের পক্ষ থেকে সকল থানাকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকেও বার্তা এসেছে যে, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা অপরিহার্য। সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর