আর জি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় গতকা রাজ্য ও রাজনীতি উত্তাল। এই ঘটনায় প্রথম থেকেই রাজ্য সরকারের দিকে আঙুল তুলে এসেছে বিজেপি। প্রশাসনের অক্ষমতা নিয়ে তুলেছে প্রশ্ন। তবে এবার রাজ্য সরকারের পেশ করা ধর্ষণ-বিরোধী বিলকে সমর্থন জানাল বিজেপি।
তরুণী চিকিৎসকের জন্য ন্যায় বিচারের দাবীতে রাস্তায় নেমেছে নানান স্তরের মানুষ। গতকাল, সোমবার বিকেল থেকে লালবাজারের কাছে অবস্থান বিক্ষোভে জুনিয়র চিকিৎসকরা। পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগের দাবী করেছেন তারা। এরই মধ্যে আজ, মঙ্গলবার সকালে বিধানসভায় ধর্ষণ-বিরোধী বিল পেশ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সেই বিল নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।
এদিন এই বিল নিয়ে বিরোধীদের তরফে বক্তব্য পেশ করে অগ্নিমিত্রা পাল, শিখা চট্টোপাধ্যায় ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অগ্নিমিত্রা ও শিখা দুই বিজেপি বিধায়কই এই ধর্ষণ-বিরোধী বিলকে সমর্থন জানান। শুভেন্দু অধিকারীও বলেন, “বিলকে সম্পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি”।
তবে সঙ্গে শুভেন্দু এই প্রশ্নও তোলেন যে এই বিলে নতুন কী রয়েছে। শুভেন্দুর দাবী, ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় সব আইন রয়েছে, মৃত্যুদণ্ডের কথাও বলা হয়েছে। তাঁর এও দাবী, বিজেপির আন্দোলন করতে ও দৃষ্টি ঘোরাতেই এই বিল আনা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, ধর্ষণের মামলায় আরও কঠোর শাস্তির কথা উল্লেখ করেছে সরকার। এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন। “আমরা চাই এই বিল দ্রুত আইন হিসেবে কার্যকর করা হোক। সেই দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীকে নিতে হবে”। এদিন তিনি এই প্রশ্নও তোলেন যে জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবী মেনে পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল কেন সামনে আসছে না। শুভেন্দু কথায়, “পুলিশ সঙ্গে নিয়ে এসে পদত্যাগের ডিমান্ডটা অন্তত নিয়ে যান পুলিশ কমিশনার”।
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আক্রমণ শানাতেও ছাড়ে নি বিজেপি। একের পর এক পেপার কাটিং তুলে ধরেন এদিন শুভেন্দু। এও বলেন, কামদুনি মামলায় কীভাবে একের পর এক আইনজীবী বদল করেছে রাজ্য সরকার। ধর্ষণ-বিরোধী বিল নিয়ে কিছু পরামর্শও দেন তিনি।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!