বেশ ভালোভাবেই সম্পন্ন হয়েছি বিয়ে। দু’পক্ষের সম্মতিতেই সমস্ত রীতি মেনেই বিয়ের আয়োজন হয়। বিয়ের কিছুদিন পর হানিমুনে যান নবদম্পতি। আর সেখানে গিয়েই এক বড় সত্যির মুখোমুখি হন যুবক। যার জেরে বেশ হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন তিনি। হানিমুন থেকে ফিরে ডিভোর্সের মামলা করেন যুবক।
নানান কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে থাকে। বোঝাপড়া না থাকার কারণে হোক বা অন্য যে কোনও কারণ, ডিভোর্স হওয়াটা নতুন কিছু নয়। কিন্তু এই যুবক যে কারণে স্ত্রীকে ডিভোর্স দিলেন, তা যেন হতবাক করেছে সকলকেই। যুবকের দাবী, তাঁর স্ত্রী মহিলাই নন। সেই কারণেই এই বিবাহবিচ্ছেদ।
ঠিক কী ঘটেছে ঘটনাটি?
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের আগ্রায়। জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালে সেখানকার এক যুবকের সঙ্গে এক যুবতীর বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর হানিমুনে যান তারা। আর সেখানেই সামনে আসে এক বড় রহস্য। যুবক জানতে পারেন, মহিলাদের মতো কোনও গোপন অঙ্গই নেই তাঁর স্ত্রীর। হানিমুনে গিয়ে এমন সত্যির মুখোমুখি হয়ে তিনি জেন দিগ্বিদিকশূন্য হয়ে যান।
হানিমুন থেকে ফিরে চিকিৎসকের পরামর্শ নেন যুবক। বেশ কিছুদিন তাঁর স্ত্রীর চিকিৎসা চলে। কিন্তু লাভের লাভ কিছু হয়নি। চিকিৎসক জানিয়ে দেন, তাঁর স্ত্রী কোনওদিনই মা হতে পারবেন না। একথা শুনে বেশ হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন যুবক। এদিকে লোকলজ্জার ভয়ে একথা কাউকে জানাতেও পারছিলেন না তিনি।
তবে শেষ পর্যন্ত বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন যুবক। ফ্যামিলি কোর্টে ডিভোর্সের মামলা করেন। বেশ কিছু বছর ধরে চলে সেই মামলা। সেই মামলায় আদালত ওই দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি দেয়।





