রেস্তোরাঁয় বিল ৫১২ টাকা, ছাড় দেওয়ার পরও Zomato-তে একই খাবারের বিল গিয়ে দাঁড়াল ৬৮৯ টাকা, ভাইরাল পোস্ট নিয়ে হইচই

রেস্তোরাঁয় যখন খেতে গিয়েছিলেন, তখন খাবারের বিল হয়েছিল ৫১২ টাকা। আর সেই একই খাবার যখন জোম্যাটো মাধ্যমে ওই রেস্তোরাঁ থেকে অর্ডার দিলেন, তখন সেই বিল গিয়ে দাঁড়াল ৬৮৯ টাকাতে, এমনই দাবী এক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী ব্যক্তির। দুটি বিলের ছবিই সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন তিনি। তাঁর সেই পোস্ট এখন নেট মাধ্যমে ভাইরাল।

রাহুল মেহরা নমে এক ব্যক্তি লিঙ্কডিন পোস্টে দাবী করেছেন যে গত ২রা জুলাই মুম্বইয়ের কান্দিভালি ইস্টের একটি রেস্তোরাঁয় মাশরুম মোমো, ভেজ ব্ল্যাক পিপার সস এবং ভেজিটেবিল ফ্রায়েড রাইস অর্ডার দিয়েছিলেন তিনি। সেই খাবারের জন্য তাঁর মোট ৫১২ টাকা বিল হয়। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য জিএসটি ধরেই সেই দাম নেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি। ওই ব্যক্তির বিল অনুযায়ী, মাশরুম মোমোর দাম নেওয়া হয় ১১৯ টাকা, ভেজ ব্ল্যাক পিপার সসের দাম নেওয়া হয় ১৯৯ টাকা ও ভেজিটেবিল ফ্রায়েড রাইসের দাম ছিল ১৭০ টাকা।

কিন্তু জোম্যাটো-তে সেই একই রেস্তোরাঁ থেকে একই খাবারের অর্ডার দিতে গেলে দাম বাড়ল হু হু করে। রাহুল মোহরা নামের ওই ব্যক্তি পোস্ট করা জোম্যাটোর বিলের ছবি অনুযায়ী (যদিও এই ছবির সত্যতা যাচাই করেনি খবর ২৪x৭), জোম্যাটো থেকে ৭৫ টাকা ছাড় পাওয়ার পরও জোম্যাটোতে সেই ওই তিনটি খাবারের মোট বিল হয়েছে ৬৮৯.৯ টাকা।

ব্যক্তির কথায়, মাশরুম মোমোর দাম নেওয়া হয়েছে ১৭৯ টাকা, ভেজ ব্ল্যাক পেপার সসের দাম ২৬৯ টাকা ও ভেজিটেবিল ফ্রায়েড রাইসের দাম নেওয়া হয়েছে ২৪৫ টাকা। অর্থাৎ জোম্যাটোতে রেস্তোরাঁর থেকে ৩৮.৭৮ শতাংশ বেশি টাকা খরচ করতে হয়েছে বলে জানান ওই ব্যক্তি।

নিজের ওই পোস্টের সঙ্গে রেস্তোরাঁ ও জোম্যাটোর অর্ডারের বিলের ছবি পোস্ট করেন ওই ব্যক্তি। রেস্তোরাঁর বিলের ছবিতে তারিখ ২রা জুলাই দেখা গেলেও, জোম্যাটোর বিলে কোনও তারিখ দেখা যায়নি (এই বিলের ছবির সত্যতা যাচাই করেনি খবর ২৪x৭)। রাহুলের মতে, জোম্যাটোর লাভ ও জনগণের কথা ভেবে সরকারের উচিত খাবারের দামের একটি নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেওয়া। নেটিজেনদের একাংশেরও এই একই মত।

আরও অন্যান্য খবর