বহু প্রতীক্ষার পর ১০ তারিখ যুবভারতীতে রাত সোয়া আটটায় শুরু ডার্বি (Derby)। হাতে মাত্র আর দুদিন। তারপরেই বহু প্রতীক্ষিত কলকাতা ডার্বি (Derby)। ইন্ডিয়ান সুপার লিগে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ দেখতে অন্তত ৫০ হাজার দর্শক সেদিন হাজির হবেন। ম্যাচ শেষ হতে বাজবে প্রায় রাত সাড়ে এগারোটা। অত দর্শক সেদিন রাতে ফিরবেন কি করে? এই চিন্তাই এখন ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান সমর্থকদের মাথায় ঘুরছে। অত রাতে বাস-মেট্রো মিলবে না সমর্থকদের সেই চিন্তা দূর করতে পরিকল্পনা লাল-হলুদের ।
উল্লেখ্য, এই ডার্বি ম্যাচের দিন অধিক পরিমাণে পরিবহন পরিষেবা প্রদানের জন্য বিশেষ চিঠি প্রেরণ করা হয় রাজ্যের পরিবহন দফতর ও মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের কাছে। যেখানে প্রায় রাত এগারোটার ও বেশি সময় পর্যন্ত বিভিন্ন রুটের বাস ও মেট্রো পরিষেবা প্রদানের আর্জি জানানো হয়।
অতিরিক্ত বাস ও মেট্রো চেয়ে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী এবং কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ অতিরিক্ত বাসের ব্যবস্থার রাখার আর্জি জানানো হয়েছে। যে বাসগুলি যুবভারতী থেকে ক্রীড়াপ্রেমীদের এসপ্ল্যানেড, উল্টোডাঙ্গা, গড়িয়া, বেহালা, বারাসত, শিয়ালদহ ও হাওড়া স্টেশন পৌঁছে দেবে। ধর্মতলা থেকে শুরু করে বারাসত, বেহালা,উল্টোডাঙা, গড়িয়া সহ হাওড়া ও শিয়ালদহ রুটের জন্য অধিক বাস পরিষেবা প্রদানের উল্লেখ করা হয়েছে। ইস্ট-ওয়েস্ট রুটে অতিরিক্ত মেট্রো চালানোর আর্জিও জানানো হয়েছে। রাত সোয়া এগারোটা নাগাদ যুবভারতী থেকে একটি মেট্রো রাখার আবেদন করা হয়েছে। চিঠির কোনও জবাব এখনও পর্যন্ত মেলেনি।
প্রসঙ্গত, আইএসএলের অন্য ম্যাচের মতোই সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ডার্বি শুরু হওয়ার কথা। সেদিনই আবার তৃণমূলের ব্রিগেড। তাই বিধাননগর পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, সেই সময় পর্যাপ্ত পুলিশ দেওয়া সম্ভব নয়। অন্য দিনে ডার্বির আয়োজন করার পরামর্শ দেওয়া হয় পুলিশের তরফে। আইএসএলের আয়োজক এফএসডিএল এতে রাজি হননি। কর্মব্যস্ত দিনে বড় ম্যাচ আয়োজন করলে বিরাট ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি ম্যাচ জামশেদপুরে স্থানান্তরিত হওয়ার কথা ছিল। শেষে ঠিক হয়, অন্য সময়ে যুবভারতীতেই হবে খেলা।
উল্লেখ্য, গতকাল বিকেলে প্রকাশিত হয়েছে দুই প্রধান তথা ইমামি ইস্টবেঙ্গলের ও মোহনবাগান সুপারজায়ান্টসের ম্যাচের টিকিট। যেখানে দুই দলের সমর্থকদের ম্যাচের টিকিট মূল্য নিয়ে তারতম্য সৃষ্টি হয়েছে।





