রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। এই দুর্নীতি নিয়ে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলছে। মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়ি, অফিস, গুদামে চলছে তল্লাশি। জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ ধৃত বাকিবুর রহমান এই দুর্নীতি চক্রের কিংপিন বলে জানা গিয়েছে।
এই বাকিবুরকে ঘিরেই বাকিদের নাগাল পেতে চাইছে এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই কারণে নানান মিলের মালিকদের চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। আর এই জিজ্ঞাসাবাদ করতে গিয়েই এক বিস্ফোরক বয়ান পেলেন তদন্তকারীরা। ইডির দাবী, কালো টাকা কীভাবে সাদা করতে হবে, তা বাতলে দিতেই খোদ জ্যোতিপ্রিয়ই। এক মিল মালিকের বয়ানে এমনটাই জানতে পেরেছে ইডি।
সেই বয়ান অনুযায়ী, কীভাবে সাদা টাকা কালো করতে হবে, নিজের ঘনিষ্ঠদের নিজেই সেই মন্ত্র শেখাতেন জ্যোতিপ্রিয়। ইডির জিজ্ঞাসাবাদে ওই মিলের মালিক জানান, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক তাঁকে দিয়ে নিজের পরিচারকের নামে ৫০ লক্ষ টাকার দানপত্র করিয়েছিলেন। পরিচারকের নামে বেশ কিছু সম্পত্তির দানপত্রও করিয়েছিলেন বলে জানান ওই মিলের মালিক। বেআইনি বলে যাতে কিছু প্রমাণ না হয়, সেই কারণেই এমন কাজ। এভাবেই কালো টাকা সাদা করতেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী।
এখন এই সমস্ত বয়ানগুলিই ইডির ট্রাম্প কার্ড। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বাকিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠদের জেরা করে যে বয়ান মিলবে, তা দিয়ে এই রেশন দুর্নীতির কিনারা করতে তৎপর ইডি। ধৃত মন্ত্রীকে তাঁর ঘনিষ্ঠদের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে প্রয়োজনে, এমনও জানা যাচ্ছে ইডি সূত্রে। আর কীভাবে কালো টাকা সাদা করা হত, কারা এই সুবিধা পেয়েছে, তা জানতে চায় ইডি।





