নিজেদের দেশের সমস্যা নিয়ে জেরবার পাকিস্তান কিছুতেই ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর নোংরা অভ্যাস ছাড়তে পারছে না। নিজেদের শুধরাতে না পেরে অল্প কয়েকদিন আগেই এফএটিএফের ধূসর তালিকাতেই রয়ে গেছে পাকিস্তান! মাথায় ঝুলছে এফেটিএফের কালো তালিকাভুক্ত হওয়ার খাঁড়া। এমন অবস্থায় যে কোনো আন্তর্জাতিক মঞ্চেই সুযোগ পেলে একবার করে কাশ্মীরের কল্পিত দুঃখ নিয়ে কাঁদতে বসে পাকিস্তান। এবার তারা সুযোগ নিল রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের বৈঠকে। আবারও কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে ভারত। বুধবার জেনেভায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের বৈঠকে এক শীর্ষ ভারতীয় কূটনীতিক বলেন যে জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল, আছে এবং সর্বদা থাকবে ।
একদিন আগে মঙ্গলবারে, পাকিস্তান কাশ্মীর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহলের হস্তক্ষেপের দাবি করে। ২৪ শে ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ শে মার্চ পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ৪৩ তম অধিবেশনে বিদেশ মন্ত্রকের সচিব (পশ্চিম) বিকাশ স্বরূপ পাকিস্তানকে বিশ্ব সন্ত্রাসবাদের উৎস হিসাবে বর্ণনা করেন। অধিবেশনে পাকিস্তানের কথা উল্লেখ করে তিনি সন্ত্রাসীদের প্রশিক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ, টেরর ফান্ডিং করা ও আশ্রয় দেওয়া দেশগুলির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন। স্বরূপ বলেছেন, পাকিস্তান তার প্রতিবেশীদের উপর হামলা করা সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলির আশ্রয়স্থল ।
রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে স্বরূপের এই মন্তব্য একদিন আগে পাকিস্তানের দেওয়া মন্তব্যের জবাব। মঙ্গলবার পাকিস্তানের মানবাধিকার মন্ত্রী শিরিন মাজারি অভিযোগ করেছেন যে ভারত কাশ্মীরি জনগণের মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। এর সঙ্গে তিনি গত বছরের ৫ আগস্ট ভারতের গৃহীত পদক্ষেপ প্রত্যাহারের দাবি জানান। প্রসঙ্গত ভারত গত বছরের ৫ আগস্ট জম্মু ও কাশ্মীরকে ৩৭০ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে এটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করে। সমস্ত দরজায় মাথা কুটে কাশ্মীর নিয়ে তাদের কোনো বক্তব্যর জন্যই কোনো সমব্যথী যোগাড় করতে না পারলেও তাদের এই প্রয়াস কতদিন চলে সেটাই এখন দেখার ।





