মহম্মদের ‘কার্টুন’ দেখানোর অপরাধে ফ্রান্সে কাটা হচ্ছে গলা! একই অপরাধে অভিযুক্ত চীনের বিরুদ্ধে গলাই তুলতে পারছে না মুসলিম বিশ্ব!

মহম্মদের বিতর্কিত ছবি প্রকাশের অপরাধে ফ্রান্সে (France) প্রকাশ্যে রাস্তায় শিক্ষকের গলা কেটে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী হামলায় হত্যা করা হয়েছে আরও তিনজনকে। এরপরই ইসলামে সন্ত্রাসকে দমন করার লক্ষ্যে কড়া অবস্থান নিয়েছে ইমানুয়েল মাঁকড়ের (Emmanuel Macron) দেশ। আর ফ্রান্সের এই সিদ্ধান্তের পর‌ই ফ্রান্সের বিরোধিতায় নেমে পড়েছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ (Pakistan, Bangladesh) সহ মুসলিম বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিও।

https://twitter.com/arslan_hidayat/status/1321002194771021824?s=20

তবে এই বিষয়ে বেশি মাথা ঘামিয়েছে পাকিস্তান। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ‘ইসলামফোবিয়া’ (Islam phobia) প্রচারের অভিযোগ‌ও তোলা হয়েছিল পাকিস্তানের তরফ থেকে। কিন্তু ওই একই অপরাধে অভিযুক্ত দেশটার নাম যদি চীন হয় তাহলে‌ও কি পাকিস্তান এক‌ই কথা বলবে? অবশ্যই বলবে না। আর তাই তো চীনের সরকারি টিভি চ্যানেল সেন্ট্রাল টেলিভিশনে (Central television) সম্প্রতি পয়গম্বর মোহম্মদের ক্যারিকেচার দেখানোর পরেও চুপটি করে বসে ইমরান প্রশাসন। ‌

https://twitter.com/TomlinsonCJ/status/1318989819050156034?s=20

চীনের টিভি চ্যানেলে এভাবে মহম্মদের ক্যারিকেচার দেখানো নিয়ে সবাই হতবাক। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই প্রশ্ন করেছেন যে, এরকম ভাবে পয়গম্বরের ক্যারিকেচার দেখানো কি ধর্মের অবমাননা নয়? তাহলে দুই দেশের ক্ষেত্রে কেন‌ও ভিন্নমত পোষণ করছে মুসলিম বিশ্ব? নাকি শক্তির কাছে হেরে যাওয়ার ভয়?

https://twitter.com/arslan_hidayat/status/1321002194771021824?s=20

প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, উইঘুর অ্যাক্টিভিস্ট আর্সালান হিদায়ত চাইনিজ টিভি সিরিজের এই ক্লিপ ট্যুইট করেছিলেন। ওই বিতর্কিত ভিডিও ক্লিপে তাং রাজবংশের দরবারে এক আরব দূতকে দেখানো হয়। ওই আরব দূত পয়গম্বর মোহম্মদের একটি পেন্টিং চীনের সম্রাটের হাতে তুলে দিচ্ছেন, সেটা দেখানো হয়েছিল।

https://twitter.com/sisodiyarajath/status/1321002692437630982?s=20

তবে, চীনের এই কাজ নিয়ে পাকিস্তান, বাংলাদেশ সহ বিশ্বের কোনও মুসলিম দেশ‌ই গলা তুলতে পারেনি। এমনকি তুর্কির প্রেসিডেন্ট এর্দোগানও এখনও চুপ করেই আছে। এছাড়াও পাকিস্তান সমেত সমস্ত মুসলিম দেশগুলোই চীনে উইঘুর মুসলিমদের প্রতি হওয়া অনাচার নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেই থাকে। এমনকি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান একবার এও বলেছিলেন যে, সেটি চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আর এই নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না।

https://twitter.com/AjayKeshri8/status/1321398656277209090?s=20

RELATED Articles