বহুদিনের শখ ছিল বাড়িতে একটি মিষ্টি বিড়াল পুষবেন। আর এই শখ তো অনেকেরই থাকে। আর সেই ইচ্ছাকে পূরণ করতেই একেবারে দরদাম করে একটি বিদেশী বিড়াল কিনেই ফেলেন এক দম্পতি। বাড়িতে নিয়ে এসে সযত্নে পালনও করতে থাকেন সেই বিড়ালছানাটিকে।
দম্পতির বাড়ি ফ্রান্সের নরমান্ডির বন্দর শহর লে হাভেরে। একটি অনলাইন বিপণন সংস্থার বিজ্ঞাপন দেখে উৎসাহিত হয়েই তাঁরা ওই বিড়ালটিকে কেনেন। রীতিমতো বিদেশী ব্রিড করা বিড়াল। আফ্রিকান সার্ভাল আর একটি সাধারণ গৃহপালিত বিড়ালের মধ্যে ক্রস ব্রিড। যা গৃহপালিত হিসেবে সম্পূর্ণরূপেই আইন স্বীকৃত। দেখতেও অপূর্ব সেই বিড়ালছানাটিকে। ৬০০০ ইউরো খরচা করে নিজেদের শখ পূরণ করেন তাঁরা।
কিন্তু সপ্তাহখানেক যেতে না যেতেই সেই বিড়ালছানার হাবভাব দেখে সন্দেহ হয় তাঁদের। কেমন যেন বিড়ালসুলভ নমনীয়তার অভাব। তখন ভয় পেয়ে তাঁরা স্থানীয় পুলিশকে ডাকেন। আর তারপর খবর দেওয়া হয় বনদপ্তরে। বনদপ্তরের আধিকারিকরা আসতেই ভয়ঙ্কর সত্যিটা বেরিয়ে পড়ল। নিরীহ বিড়াল ভেবে যে প্রাণীকে একসপ্তাহ ধরে তাঁরা লালন পালন করছেন, তা বিড়াল তো নয়ই, বরং সেটি একটি ভয়ঙ্কর বাঘের ছানা। আর এই খবর জানতে পেরেই আঁতকে উঠেছেন এলাকাবাসীও। আতঙ্কগ্রস্ত ওই দম্পতিও। শেষে বনদপ্তরের আধিকারিকরা সেই বাঘের বাচ্চাটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যান।
অতি অল্প সময়ের মধ্যেই এই বিষয়টা জানা যাওয়াতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন অনেকেই।





