শুধুমাত্র ড্রপলেটের মধ্য দিয়েই নয় বাতাসও বহন করছে করোনাভাইরাস। আন্তর্জাতিক মেডিক্যাল জার্নাল ল্যানসেটের বুলেটিনে প্রকাশ করা হয়েছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। গবেষকদের দাবি করে জানিয়েছেন, করোনা সৃষ্টিকারী ভাইরাস Sars-CoV-2 প্রধানত বায়ুতেই ছড়াচ্ছে। তাঁরা জানিয়েছেন, ড্রপলেটের মাধ্যমে করোনা ছড়ানোর প্রবণতা এখন প্রথম সারির দেশ গুলোয় নেই বললেই চলে। সেখানে আরও জানানো হয়েছে, ল্যানসেটের কাছে এর প্রমাণ রয়েছে।
“Ten streams of evidence collectively support the hypothesis that #SARS-CoV-2 is transmitted primarily by the airborne route.”
New Comment from @trishgreenhalgh, @kprather88, @jljcolorado, @zeynep, @dfisman, and Robert Schooley. #COVID19 https://t.co/2z8jLEcOPH
— The Lancet (@TheLancet) April 16, 2021
২০২০ তেই রক্ষা মেলেনি। ২০২১এও ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। লাগাতার মৃত্যু। আক্রান্তের সংখ্যাও ভয় ধরাচ্ছে বিশ্ববাসীর মনে। করোনাভাইরাস ফের মারণ আকার ধারণ করছে বলছেন চিকিৎসকরা। ফলত ঘনঘন হাত ধোয়া, কিংবা মুখ ঢেকে রাখার প্রচলিত নিয়ম আর কতদিন বিশ্বকে রক্ষা করতে পারবে, তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আমেরিকা, ব্রিটেন এবং কানাডার ছয় বিশেষজ্ঞ। এই বিশেষজ্ঞদের টিমে রয়েছেন CIRES এবং ইউনিভার্সিটি অফ কলোরাডো বোল্ডারের কেমিস্ট হোসে লুইস জিমেনেজ।
জিমেনেজের কথায়, ‘বাতাসের মাধ্যমেও করোনা ছড়ায়, এর প্রমাণ হাতে আসার পর চমকে গিয়েছিলাম। বড় ড্রপলেটের মাধ্যমে ট্রান্সমিশন একেবারে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং অন্যান্য পাবলিক হেলথ এজেন্সিকে এখনই বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে। হাওয়ায় করোনা সংক্রমণ কী উপায়ে প্রতিরোধ করা যায়, সেটাও নির্ধারণ করা জরুরি।’
How can you stay safe if someone from your household falls sick from #COVID19? 🤒
Know your risk. Lower your risk. pic.twitter.com/IHkIWcSSLz
— World Health Organization (WHO) (@WHO) April 16, 2021
ল্যানসেটের তরফে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, অ্যাসিম্পটোমেটিক বা প্রিসিম্পটোমেটিক করোনা আক্রান্তদের মধ্যে হাঁচি কিংবা কাশির উপসর্গ নেই। অথচ ৪০ শতাংশ ট্রান্সমিশন তাঁদের থেকেই হচ্ছে।
এইভাবে করোনা ছড়িয়ে পড়ার পদ্ধতিকে সাইলেন্ট ট্রান্সমিশন বলে উল্লেখ করেছে সংস্থা।





