সম্প্রতি জানা গেছে, যুদ্ধকালীন তৎপরতা শুরু হয়েছে চীনে। ভারত সীমান্তে আরও সেনা বৃদ্ধি করছে কমিউনিস্ট চীন। সূত্রের খবর, প্রতিবেশী দেশের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং তাঁর লাল ফৌজকে যে কোনও সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু এমন সাজো সাজো রব থাকলেও আদৌ কি প্রস্তুত লালফৌজ? এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করে জানিয়েছে, প্রবল শীতে নির্জন লাদাখে পড়ে থেকে থেকে ক্রমশই হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে তারা। পরিস্থিতি এমনই দাঁড়িয়েছে, চীনা প্রশাসন রীতিমতো আমোদপ্রমোদের ব্যবস্থা করছে সবাইকে চাঙ্গা করতে। সীমান্তে উড়িয়ে আনা হচ্ছে নর্তকির দল। শুধু তাই নয়, বারবার রদবদল করা হচ্ছে সেনার মধ্যে। বেশিদিন সীমান্তে ফেলে রাখা হচ্ছে না একই সেনাদের।
প্রসঙ্গত, গত বছরের অক্টোবরে ভারতীয় সীমান্তে পথভ্রষ্ট এক চীনা সেনার দেখা মিলেছিল। এবছরের জানুয়ারিতেও ধরা পড়ে আরও এক সেনা। দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পরে ফেরতও পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সূত্রের দাবি, তাঁরা ছিলেন রীতিমতো মদ্যপ! কেবল নেশায় বুঁদ থাকাই নয়, তাঁদের জুতোর ফিতাও ঠিক ভাবে বাঁধা ছিল না। আরও যে ব্যাপারটা অবাক করেছিল, তা হল এঁরা সকলেই একা একা ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। যা সেনার শৃঙ্খলা ও অনুশাসনের সঙ্গে একেবারেই বেমানান। সারা পৃথিবীতেই সেনারা উত্তেজনাপূর্ণ এলাকায় কখনও একা থাকে না। সব সময় সশস্ত্র ও সদলবলে ঘুরে বেড়ানোই নিয়ম। সেই নিয়ম আদৌ চীনা সেনাদের জানা ছিল কি না তাতে ঘোর সন্দেহ প্রকাশ করেছে ওই সূত্র। দাবি, রীতিমতো হতভম্বের মতো ওই মদ্যপ সেনারা একা একা রাতে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত পথ হারিয়ে ঢুকেও পড়েন ভারতীয় ভূখণ্ডে।





