এবার আতঙ্কের নাম বার্ড ফ্লু (Bird Flu)। মহামারি আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বার্ড ফ্লু-এর (Bird Flu) সাথে আমরা অনেক আগে থেকেই পরিচিত। একাধিক বার এই রোগটি আমাদের জীবনে সমস্যা তৈরি করেছে। এবার করোনা-পরবর্তী সময়ে এই ভাইরাস শুরু করেছে তার হত্যালীলা। তবে কি এবার বার্ড ফ্লু মহামারির আকার ধারণ করবে? কতটা ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বার্ড ফ্লুতে? মহামারি শব্দটির সঙ্গে আমরা এখন সকলেই পরিচিত। মহামারি কতটা ভয়ঙ্কর আকার নিতে পারে তার আন্দাজ পাওয়া গেছে করোনার থেকেই। করোনার মহামারির পর নতুন করে বার্ড ফ্লু-এর মহামারির আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
নতুন করে বার্ড ফ্লু (Bird Flu) নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিগত কয়েক মাস ধরে বার্ড ফ্লু আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে। ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে বার্ড ফ্লু। এবার গরুর দুধে মিলল বার্ড ফ্লুর ভাইরাস। দুধে ভাইরাসের অস্তিত্ব পেয়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে মানুষদের মধ্যে। মানব দেহেও কি এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে? তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
মঙ্গলবারই মার্কিন প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, “পাস্তুরাইজ বা প্রক্রিয়াজাত গরুর দুধে বার্ড ফ্লু (Bird Flu) ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে। হাইলি প্য়াথোজেনিক এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ইতিমধ্যেই আমেরিকার বিভিন্ন প্রদেশের গরু প্রতিপালন ও গোয়ালে ছড়িয়ে পড়েছে। লক্ষাধিক মুরগির মৃত্যু হয়েছে। গরু আক্রান্ত হলেও, অসুস্থতা গুরুতর আকার ধারণ করেনি। এক ব্যক্তির শরীরেও এই ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে। তাঁর উপসর্গ মৃদু।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবারের মাধ্যমে এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা কম। মার্কিন ফুড সেফটি বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, সাপ্লাই চেইনের সূত্র থেকে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব খুঁজে বের করা হয়েছে। বার্ড ফ্লু (Bird Flu) বা এইচ৫এন১ ভাইরাস প্রথম ১৯৯৬ সালে পাওয়া গিয়েছিল। চলতি বছরের মার্চ মাসে গরু ও ছাগলের দেহেও এই ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে বলে রিপোর্ট রয়েছে।
তবে কোথাও কোথাও খাঁটি দুধ নিয়েও নানা প্রোডাক্ট তৈরি করা হয়। বার্ড ফ্লু ভাইরাস (Bird Flu) খুঁজে পাওয়ায় সেই নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, ফ্রান্সে এক ধরনের চিজ বানানো হয় সরাসরি দুধ থেকে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, খাঁটি দুধ থেকে যেসব প্রোডাক্ট তৈরি হয় সেসব ক্ষেত্রে গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি করা হচ্ছে।





