মুসলিম বিশ্বের নেতা হতে চলা পাকিস্তান এবার স্বয়ং কোনঠাসা মুসলিম বিশ্বে। ইসলামিক দেশগুলির অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও ভারতের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক প্রয়াসের সংমিশ্রণে বেজয় সমস্যায় ইমরান খান প্রশাসন।
পাকিস্তানের বিপক্ষে গিয়ে মুসলিম দেশগুলির সবথেকে বড় সংগঠন Organisation of Islamic Cooperation (OIC)-তে উঠবে না কাশ্মীর প্রসঙ্গ বলে জানা যাচ্ছে।
আজ, শুক্রবার নাইজেরের রাজধানী নিয়ামে শহরে অনুষ্ঠিত OIC বৈঠকে পাকিস্তানের বহু প্রচেষ্টা সত্ত্বেও আলোচনা সূচি থেকে বাদ পড়েছে কাশ্মীর প্রসঙ্গ। সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এই মুহূর্তে OIC-তে সবচেয়ে প্রভাবশালী। পাকিস্তানের কাশ্মীর প্রসঙ্গে আলোচনা অনুরোধে কর্ণপাত করেনি এই দুই দেশ।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ৫৬ সদস্যের OIC-র প্রধান দুই সদস্য সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সঙ্গে পাকিস্তানের বর্তমান সম্পর্ক অত্যন্ত নিম্ন গামী। একই সঙ্গে, পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে দৌত্য বাড়াচ্ছে ভারত। যা পাকিস্তানের কাছে রীতিমতো মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর আগে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা রদ করার মোদী সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনও প্রতিবাদ জানায়নি রিযাধ। উল্লেখ্য, গত আগস্ট মাসে জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের দাবি মতো কোনও বৈঠক ডাকতে রাজি হয়নি OIC। ফলে রীতিমতো চটে লাল হয়ে গিয়েছিল ইসলামাবাদ। কার্যোদ্ধার না হওয়ায়, OIC থেকে বেরিয়ে অন্য জায়গায় দরবার করার হুমকিও দেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি।
ইংরাজি ও আরবিতে OIC-র পক্ষ থেকে যে বিবৃতিটি দেওয়া হয়েছে, তাতে লক্ষ্যণীয়ভাবে কাশ্মীরের কোনও উল্লেখ নেই। সেখানে বলা হয়েছে, শান্তি এবং উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একজোট হওয়া আসন্ন বৈঠকের মূল বিষয়বস্তু হতে চলেছে। পাশাপাশি, প্যালেস্তাইন পরিস্থিতি, রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যাও রয়েছে আলোচনার তালিকায়।





