ওই অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় মিছিল ও অবস্থান বিক্ষোভ করে নিজেদের দাবির পক্ষে আন্দোলন করছেন হাজার হাজার মানুষ।
এইপ্রসঙ্গে ওই বিক্ষোভের অন্যতম নেতা ও জে সিন্ধ মুত্তাহিদা মাহাজের চেয়ারম্যান শাফি মুহম্মদ বুরফাত জানিয়েছেন, অতীত থেকে বর্তমান, সবসময়ই সিন্ধুপ্রদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির উপর বর্বরোচিত আক্রমণ হয়েছে। তবে শত আঘাত সত্ত্বেও নিজেদের ইতিহাসকে স্মরণ রেখে নিজস্ব সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন এখানকার মানুষ।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, রবিবার পাকিস্তানের সিন্ধুপ্রদেশের সান এলাকায় স্বাধীনতার দাবিতে মিছিল বের করেছিলেন কয়েক হাজার মানুষ। তাঁদের দাবি, সিন্ধুপ্রদেশ হল সিন্ধু সভ্যতার ঘর। বৈদিক ধর্মের সূচনাও হয়েছিল এই অঞ্চল থেকেই। কিন্তু, অবৈধভাবে এই জায়গা দখল করে রাজত্ব চালানোর পর বিট্রিশ সাম্রাজ্যবাদীরা ১৯৪৭ সালে তা পাকিস্তানের হাতে। আর পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর থেকেই সিন্ধুপ্রদেশের প্রাচীন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছে ইসলামাবাদ। এর হাত থেকে নিষ্কৃতি পেতেই বেশ কিছুদিন ধরে স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলন করছেন সিন্ধুপ্রদেশের বেশিরভাগ বাসিন্দা। রবিবার সেই রকম একটি মিছিলেই দেখা যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-সহ বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানের ছবি।





