উইঘুর মুসলিমদের ওপর চীনা অত্যাচারের কথা প্রায় সকলেরই জানা। সেই অত্যাচারের মাত্রা দিন দিন ক্রমশ বাড়ছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, উত্তরপশ্চিম চীনের খনিজ সম্পদে ভরপুর জিনজিয়াং এলাকায় বাস এই উইঘুর মুসলিমদের। বহু দিন ধরেই এই মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর মাত্রাতিরিক্ত অত্যাচার চালাচ্ছে চীনা সরকার। আন্তর্জাতিক স্তরে এই বিষয়ে বারবার অপদস্থ হওয়ার পরেও নিজেদের কাজ থেকে বিন্দুবিসর্গ সরেনি বেজিং। ক্রমশ বেড়েই চলেছে নিপীড়নের মাত্রা।
একই সঙ্গে পাকিস্তান সরকারও বালোচিস্তানের জনগণের উপর অকথ্য অত্যাচার চালায় বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ উঠছে। উল্লেখ্য, কয়েক যুগ ধরে পাকিস্তানের কবল থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আন্দোলন করছেন বালোচিস্তানের মানুষ। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই মনে করেন, ১৯৪৭ সালে তাঁদের দেশ অবৈধভাবে দখল করেছিল পাকিস্তান। আর এখন বালোচিস্তানের নাগরিকদের এই আন্দোলন থামানোর জন্য দমন-পীড়ন নীতির সাহায্য নিচ্ছে ইসলামাবাদ।
এই দুই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এবার চীন ও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পথে নামল মুসলিম প্রধান রাষ্ট্র বাংলাদেশ। রাস্তাতে নেমে চলেছে আন্দোলন। স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ছিল বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। তাই মানুষের অধিকারের দাবিতে আন্দোলনের জন্য এই দিনটাকেই বেছে নেয় বাংলাদেশ। ঢাকা ও সিলেটের রাস্তায় কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হয়ে পাকিস্তান সরকার যেভাবে বালোচিস্তানের মানুষদের উপর অত্যাচার চালায় তার তীব্র প্রতিবাদ জানান। তীব্র সমালোচনা করেন চীনের শি জিনপিং সরকারের উইঘুর মুসলিম-দের উপর অত্যাচারেরও। বিক্ষোভকারীদের মুখে যেমন পাকিস্তান ও চীন বিরোধী স্লোগান ছিল তেমনি হাতে ছিল নানা ধরনের পোস্টার। যার মধ্যে লেখা ছিল, ‘বালোচ গণহত্যা বন্ধ করুক পাকিস্তান’, ‘উইঘুরদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রি বন্ধ করুক চীন’। বিক্ষোভ দেখানোর পাশপাশি মানববন্ধনও পালন করেন বিক্ষোভকারীরা।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার