কূটনৈতিক দ্বন্দ্বে ভারত আমেরিকা? ভারতের অনুমতি ছাড়াই লক্ষদ্বীপে ঘুরলো মার্কিন রণতরী

বাইডেন-হ্যারিসের শাসনকালে ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক আর‌ও উন্নত হবে বলে আশা করেছিল কূটনীতিকরা। কিন্তু এবার আশঙ্কা করা হচ্ছে বাইডেনের শাসনকালের শুরুতেই হয়ত কূটনৈতিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়তে চলেছে ভারত-আমেরিকা!

তবে কেন‌ও এই আশঙ্কা? জানা যাচ্ছে সম্প্রতি ভারতের অনুমতি ছাড়াই ভারতের নিজস্ব অর্থনৈতিক অঞ্চলে একটি মার্কিন রণতরী মহড়া চালানোর পর এমনই শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও মার্কিন মুলুক থেকে দাবি করে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন মেনেই চালানো হয়েছে সেই মহড়া।

বিষয়টির সঙ্গে অবহিত নৌসেনা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, প্রতিটি উপকূলবর্তী দেশের উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০ কিলোমিটার এলাকাকে সংশ্লিষ্ট দেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ওই জলসীমার মধ্যে তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং মাছ-সহ যাবতীয় সম্পদের উপর একমাত্র অধিকার আছে ওই দেশেরই। আর তাই স্বভাবতই ভারতের নিজস্ব অর্থনৈতিক অঞ্চলে যে কোনও সামরিক গতিবিধির জন্য আগেভাগে নয়াদিল্লির অনুমতির প্রয়োজন হয়। আর আমেরিকা ঠিক সেই কাজটাই করেনি। তবে বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় নৌসেনা বা বিদেশ মন্ত্রকের তরফে সরকারিভাবে এখনও কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

গত বুধবার একটি বিবৃতিতে মার্কিন নৌসেনার সেভেনথ ফ্লিটের (সপ্তম বাহিনী) তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, লক্ষদ্বীপের পশ্চিমে ১৩০ নটিক্যাল মাইল দূরত্বের জলসীমায় চলাচলের অধিকার এবং স্বাধীনতা তুলে ধরেছে ইউএসএস জন পল জোনস। সঙ্গে হুঁশিয়ারির সুরে জানানো হয়েছে, সমুদ্রপথে ভারত যে অত্যধিক দাবি করে, তা চ্যালেঞ্জ করেই সেই মহড়া চালানো হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক আইনে প্রদত্ত অধিকার, স্বাধীনতা এবং সমুদ্রের ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে সেই অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন নৌসেনা।

RELATED Articles