‘করোনা’ হলো আমেরিকার বিরুদ্ধে করা ষড়যন্ত্র। এই দাবিতে অভিবাসন বন্ধ করলেন ট্রাম্প।

করোনার প্রকোপ এখনো পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি পড়েছে আমেরিকার ওপর। বিপর্যস্ত আমেরিকার জনজীবন। আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যায় প্রতিদিনই নিত্যনতুন রেকর্ড করছে তাঁরা। বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ এখন যথেষ্ট বেকায়দায়।

আর দেশে এই মারণ ভাইরাসের বৃদ্ধি নিয়ে বারবার চীনকে দায়ী করে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমনকি করোনাকে তিনি চীনা ভাইরাস বলেও সম্বোধন করছেন। তবে এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বললেন, ষড়য়ন্ত্র করে আমেরিকার উপর হামলাই চালানো হয়েছে। ট্রাম্প মনে করেন, করোনা কোনও রকম ফ্লু নয়৷ এটা ফ্লুয়ের মোড়কে এক মারণ তোপ, যার জেরে কিছুটা হলেও বিপর্যস্ত হবে তাঁর দেশের অর্থনীতি৷ এই ধরণের খারাপ সময় আমেরিকায় শেষ দেখা গিয়েছিল ১৯১৭ সালে।

সামনেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। ফের একবার সেই নির্বাচনে জিতে দ্বিতীয়বার আমেরিকার প্রধান হতে চান ট্রাম্প। তাই করোনা আবহের মাঝেও নিজের প্রচার চালাতে ভুলছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প জানিয়েছেন, গত তিন বছরে দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি ছিল চোখে পড়া মতো৷ বিশ্ব ইতিহাসে অন্যান্য দেশের থেকে আমেরিকার অর্থনীতি খুবই ভাল জায়গায় ছিল৷ কিন্তু লকডাউনের ফলে এক ধাক্কায় সব হিসেব বদলে গেছে। কিন্তু আমেরিকা আবার বাণিজ্যিকে ভাবে ঘুরে দাঁড়াবে, যার জন্য বড় ইন্ডাস্ট্রিগুলিকে সাহায্য করবে তাঁর সরকার৷

তিনি আরও জানিয়েছেন যে দু’মাস আগেই দেশের উড়ান সংস্থা থেকে শুরু করে অন্যান্য বড় সংস্থাগুলি দারুণ ব্যবসা করছিল৷ তারপরই এই ধস৷ তবে দেশের অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে সব রকম সাহায্য করবে মার্কিন প্রশাসন৷ এদিকে করোনা সংক্রমণের প্রভাবে দিশেহারা মার্কিন অর্থনীতিতে দেশের নাগরিকদের চাকরির সুরক্ষা দিতে নয়া অভিবাসন নীতির কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এবার আগামী ৬০ দিনের জন্য অভিবাসন বন্ধের প্রশাসনিক নির্দেশ জারি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

RELATED Articles

Leave a Comment