বিশ্বজুড়ে করোনা হানার মাঝখানেই বেজে উঠল তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা। এবার লড়াই উত্তর কোরিয়ার মসনদ নিয়ে। সম্প্রতি কিম জং উন এর শারীরিক অসুস্থতার কথা শোনা গিয়েছে। উত্তর কোরিয়ার স্বৈরাচারী নেতার শরীর যে ভালো যাচ্ছে না, দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যমের সৌজন্যে সে খবর ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বেই। কিম-জং-উন পরবর্তীকালে উত্তর কোরিয়ার ভবিষ্যত নিয়ে এবার উঠছে প্রশ্ন।
পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে আমেরিকা যদিও এখনও কোনও মন্তব্য করেনি হোয়াইট হাউজ। কিন্তু, কিম-পরবর্তীতে পিয়ংইয়ংয়ে প্রভাব বিস্তার নিয়ে ঠান্ডা যুদ্ধ শুরু হওয়া যে সময়ের অপেক্ষা, তা কার্যত স্পষ্ট। সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রাক্তন সেনাকর্তা চুন ইন-বাম এর দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়টা স্পষ্ট।
মার্কিন মিলিটারি টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দক্ষিণ কোরিয়ার স্পেশাল অপারেশনসের প্রাক্তন প্রধান বলেন, ‘কিমের পর উত্তর কোরিয়াকে কেন্দ্র করে পরমাণু-যুদ্ধ দেখা দিতে পারে।’ তিনি আশঙ্কা করছেন, কিম-পরবর্তী উত্তর কোরিয়ায় ‘আমেরিকা ঢোকার চেষ্টা করবেই।’ ‘চীনও পিছিয়ে থাকবে না’ বলে মনে করেন তিনি।
এখানেই শুরু হতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। উত্তর কোরিয়ার সার্বভৌমত্ব খর্বের চেষ্টা মোটেই আমেরিকা-চীন ‘কারোর জন্যই সুখকর হবে না’ বলে সতর্ক করেছেন তিনি। এদিকে উত্তর কোরিয়া নিয়ে পড়শি দক্ষিণ কোরিয়া যে বেশি ‘উৎসাহ’ দেখাচ্ছে, তা স্বীকার করেন প্রাক্তন সেনাকর্তা। তাঁর আশঙ্কা, ‘এর ফলে পরমাণু যুদ্ধ হতে পারে।’
ডেইলি মেইলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন মার্কিন কর্নেল ডেভিড ম্যাক্সওয়েলও বলেন, ‘কিম জং উনের পর উত্তরসূরি বাছাই নিয়ে উত্তর কোরিয়ায় তুমুল অশান্তি দেখা দিতে পারে।’





