বিস্ময়কর ঘটনা বটে! হঠাৎ করে মর্গ থেকে বেঁচে উঠলো ‘মৃত’ ব্যক্তি! ভিরমি খেল হাসপাতাল

সোমবার মাঝরাতে মর্গে বেঁচে উঠলেন রোগী। কেরালার কন্নুরের এই ঘটনায় হকচকিয়ে যান গোটা হাসপাতাল। কন্নুর জেলার পাচাপইকার বাসিন্দা ৬৭ বছর বয়সী ভেল্লুভাকান্দি পবিত্রনকে মেঙ্গালুরুর একটি হাসপাতালে ফুসফুসের সমস্যা ও প্যারালাইসিসের চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছিল। সঙ্গে দেওয়া হয়েছিল বিভিন্ন যান্ত্রিক সাপোর্ট।

চিকিৎসার পরেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায়, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর পরিবারকে যান্ত্রিক সাপোর্ট সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান। সোমবার বিকেলে পবিত্রনকে মৃত ঘোষণা করে দেহ পরিবারের কাছে দিয়ে দেওয়া হয়।

এদিন ৬:৩০ টায় দেহ কন্নুর পৌঁছয়। রাতে শেষকৃত্য করা সম্ভব না হলে, পরিবার দেহটিকে স্থানীয় একেজি হাসপাতালের মর্গে রাখেন। তবে রাত ১১.৩০টার দিকে মর্গের কর্মী জয়ন দেখতে পান, পবিত্রনের দেহ নড়ছে। এরপর তিনি সহকর্মী অনুপকে সঙ্গে নিয়ে পবিত্রনের পালস পরীক্ষা করে জীবিত থাকার প্রমাণ পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান।

পরে পবিত্রনকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়, যেখানে চিকিৎসকরা তাঁর নাম ধরে ডাকলে তিনি সাড়া দেন। জয়েন্ট জানান যখন পবিত্রনকে গাড়ি অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামানো হচ্ছিল তখনই তার হাত নড়ে ওঠতে দেখতে পেয়েছিলেন তিনি, তবে পরমহুর্তে নিজের চোখের ভুল ভেবে সেই জিনিসটি এড়িয়ে যান তিনি। তবে এইবারে নিজেকে অবিশ্বাস না করে অনুপকে জানানোর পরই এই সমগ্র ঘটনা হাসপাতালের সামনে আসে।

আরও পড়ুনঃ নুসরত জাহানের বিলাসবহুল ট্রিপ! শোরগোল পড়ল সোশ্যাল মিডিয়ায়!

বর্তমানে পবিত্রনকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় বিস্মিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালের দায়িত্বশীলতা ও রোগীর প্রতি গম্ভীরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে সঠিকভাবে পরীক্ষা না করেই একজন রোগীকে মৃত ঘোষণা করা হলো।

RELATED Articles