দিনেদুপুরে শহরে আক্রান্ত মহিলা বক্সার৷ দর্শক পুলিশ।

ফের শহরে দিনেদুপুরে হেনস্তার শিকার হতে হলো মহিলাকে। এবারে সেই নিগৃহীতা মহিলা হলেন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বক্সার সুমন কুমারী৷

ঘটনায় পুলিশের নিকট কোনো সাহায্য না পেয়ে ফেসবুকেই নিজেই ক্ষোভ উগরে দেন সুমন কুমারী৷ তিনি জানান যে, এদিন সকাল সাড়ে ১১ টা নাগাদ অফিস যাওয়ার সময় তিনি স্কুটি নিয়ে বেড়োলে, হঠাৎই রাস্তায় তাঁর স্কুটির সামনে চলে আসেন এক যুবক৷ সুমন কুমারীর কথায় সম্ভবত সেই যুবক বাস ধরতে যাচ্ছিলেন, সেসময় সুমন কুমারীর স্কুটি তাঁর সামনে চলে আসায় মেজাজ হারান সেই যুবক।

 

অভিযোগ, সেই যুবক অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা শুরু করেন সুমন কুমারীকে। যদিও এরপর বাসে উঠে সেই যুবক চলে যান। তবে সুমন কুমারী এই ঘটনার প্রতিবাদ করতে পিছু নেন সেই বাসের৷ পরের স্টপেজে সুমন কুমারী সেই যুবককে গালিগালাজ নিয়ে প্রশ্ন করলে বাস থেকে নেমে তিন যুবক তাকে মারধর, ধাক্কাধাক্কি করা শুরু করে বলে জানান তিনি। কাছেই পুলিশ দাঁড়ানো দেখে সুমন কুমারী সেই পুলিশের দিকে ছুটে গেলে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ।

সুমন কুমারী জানান যে, পুলিশ ঘটমা নিজ চোখে দেখলেও তারা তা আটকানোর চেষ্টা করেননি৷ নীরব দর্শকের ভূমিকায় ছিলেন পুলিশ৷ এরপর সুমন কুমারী সেই পুলিশের নিকট দৌড় গেলে সেই পুলিশ তাকে পরামর্শ দেয় থানায় অভিযোগ জানাতে। পুলিশের এহেন নিষ্ক্রিয়তা দেখেই ফেসবুকে ক্ষোভ উগরে দেন সুমন কুমারী নামক সেই মহিলা বক্সার৷ বিষটি ভাইরাল হওয়ার পর টনক নড়ে পুলিশের। এরপরই সাউথ পোর্ট থানায় অভিযোগের ভিত্তিতে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গ্রেফতার করা হয় তিন যুবককে৷ ধৃতরা হলেন শেখ ফিরোজ, ওয়াসিম খান এবং রাহুল শর্মা।

আরও অন্যান্য খবর