শেষ দফার ভোটের পূর্বে আজ দমদমের নাগেরবাজার এলাকার সেন্ট্রাল জেল ময়দানে জনসভায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ তারপরই আজ রাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠলো দমদমের নাগেরবাজার এলাকার সাতগাছি মোড়।
সদ্য বিজেপি নেতা হওয়া মুকুল রায় এবং উত্তর ২৪ পরগনার প্রাক্তন সিপিএম নেতা পল্টু দাসগুপ্তকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের অভিযোগ যে, রাতে নাগেরবাজার এলাকার সাতগাছি মোড়ের একটি গেস্ট হাউসে গোপন মিটিং-এ বসেছিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায় এবং প্রাক্তন সিপিএম নেতা পল্টু দাসগুপ্ত। মিটিং এর উদ্দেশ্য হিসেবে তৃণমূল নেতৃত্বের অনুমান যে প্রাক্তন সিপিএম নেতা পল্টু দাসগুপ্তের সাহায্যে সপ্তম দফার ভোটে ভোট লুঠ করার পরিকল্পনা করছিলেন মুকুল রায়। প্রসঙ্গত, তৃণমূল নেতা কর্মীরা জানান যে একসময় এই প্রাক্তন সিপিএম নেতা পল্টু দাসগুপ্ত দাপিয়ে বেরিয়েছেন গোটা দমদম, করেছেন অজস্র ভোট লুঠ। আর তাই এবারে তাঁর সাহায্যে দমদমের ভোট লুঠ করতে চাইছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়।
ইতিমধ্যেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নাগেরবাজার এলাকার সাতগাছি মোড়। প্রায় ৫০০ জন তৃণমূল নেতা কর্মীরা জমায়েত হয়েছেন সেই গেস্ট হাউসের নীচে। ভাঙচুর করা হয়েছে দমদমের বিজেপি প্রার্থী শমীক ভট্টাচার্যের গাড়ি৷ এলাকায় রয়েছে প্রচন্ড উত্তেজনা৷
তৃণমূল নেতা কর্মীদের দাবী যে, এখনও সেই গেস্ট হাউসে রয়েছেন মুকুল রায় এবং পল্টু দাসগুপ্ত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইতিমধ্যেই ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারের তরফে পাঠানো হয়েছে এক বিশাল পুলিশ বাহিনী। শুধু তাই নয়, এলাকায় নামানো হয়েছে সিআরপিএফ জওয়ানও৷ গোটা নাগেরবাজার এলাকা ঘিরে ফেলেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।