ওমিক্রন নিয়ে এখন গোটা বিশ্ব উদ্বেগে। দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম মেলে করোনার এই নতুন স্ট্রেন ওমিক্রন। এরপর তা ছড়ায় অন্যান্য দেশেও। ভারতেও ইতিমধ্যেই ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা ২১ জন। এবার মনে হচ্ছে কলকাতাতেও মিলল প্রথম ওমিক্রনে আক্রান্ত ব্যক্তি।
শোনা গিয়েছে, বারাসাতের এক প্রৌঢ়ের শরীরে ধরা পড়েছে করোনা ভাইরাস। গতকাল, শুক্রবারই বাংলাদেশ থেকে ফেরেন তিনি। সীমান্তেই তাঁর করোনা পরীক্ষা করা হয়। তবে তিনি সত্যিই ওমিক্রনে আক্রান্ত কী না, তা এখনও জানা যায়নি। সেই প্রৌঢ়ের জিন পরীক্ষা করানোর জন্য পাঠানো হবে। আপাত তিনি বেলেঘাটা আইডিতে ভর্তি রয়েছেন। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানা গিয়েছে।
গতকাল, শুক্রবারই বারাসতের বাসিন্দা প্রৌঢ় বাংলাদেশ থেকে ফেরেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, সীমান্তে ওই প্রৌঢ়ের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজে তাঁর নমুনা পরীক্ষা হয়। রাতে দেখা যায় রিপোর্ট পজিটিভ।
স্বাস্থ্য দফতর বারাসতের বাসিন্দার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হতে বলে। রাতেই বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের বিশেষ ওয়ার্ডে তিনি ভর্তি হন। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, প্রৌঢ়ের উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা আছে। তবে বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।
উল্লেখ্য, দেশে প্রথম ওমিক্রনে আক্রান্তের খোঁজ মিলেছিল কর্ণাটকে। সেখানে দুই ব্যক্তির শরীরে ধরা পড়ে এই স্ট্রেন। তাদের মধ্যে একজন ফিরেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে। এরপর তিনি দুবাই চলে যান। আর অন্য একজন ব্যক্তি ছিলেন স্বাস্থ্যকর্মী। তবে তাঁর বিদেশ ভ্রমণের কোনও রেকর্ড ছিল না। তাহলেও তিনি কীভাবে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন, তা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
এরপর গুজরাতের জামনগর ও মুম্বইয়ের এক মেরিন ইঞ্জিনিয়ারের শরীরে ধরা পড়ে করোনার এই নতুন স্ট্রেন। এরপর দিল্লিতে তানজানিয়া থেকে ফেরত এক ব্যক্তির শরীরের মেলে ওমিক্রন। সম্প্রতি রাজস্থানে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফেরত একই পরিবারের চারজনের শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। আজ, শুক্রবার গুজরাতের আরও দু’জনের শরীরে মিলেছে ওমিক্রন।





