নবান্ন অভিযানের সময় তিলোত্তমার মায়ের অসুস্থতা নিয়ে গতকাল থেকে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা ও বিতর্ক। অভিযোগ ওঠে, পুলিশের লাঠিপেটায় তার মাথায় আঘাত লেগেছে এবং শারীরিকভাবে তিনি বিপর্যস্ত হয়েছেন। এই ঘটনার পর তাকে দ্রুত শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে আজ নতুন খবর পাওয়া গেছে, তার চিকিৎসার জন্য আগামীকাল তাকে কলকাতার কল্যাণী এইমসে স্থানান্তর করা হবে। এই সিদ্ধান্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতাদের আলোচনার পর নেওয়া হয়েছে।
গতকাল ঘটনার সময় তিলোত্তমার মা দাবি করেন, “কলকাতা পুলিশের পুরুষ ও মহিলা পুলিশ উভয়েই লাঠিপেটা করেছে। আমার শাঁখা ভেঙে গেছে, পিঠে আঘাত পেয়েছি, আমাকে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আমার স্বামীকেও মারধর করা হয়েছে।” যদিও কলকাতা পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দ্রুত তার সিটি স্ক্যান করা হয়, যা বেশিরভাগই স্বাভাবিক এসেছে, তবে মাথার কপালে কিছু ফোলা ভাব (হেমাটোমা) রয়েছে।
হাসপাতালে তাঁর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু রোগীর উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যদিও তারা জানিয়েছেন যে চিকিৎসার ক্ষেত্রে সরকারি চাপ রয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিজেপির ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, “রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল হলেও আঘাত ও বয়স সবাই দেখছেন। হাসপাতালে সরকারি চাপ রয়েছে, যার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সঠিকভাবে হচ্ছে না।”
আজ তাকে কলকাতার কল্যাণী এইমস হাসপাতালে নেওয়া হবে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টরা নিশ্চিত করেছেন। তাদের মতে, উন্নত চিকিৎসার জন্য এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। রাজনৈতিক মহল ও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নজর রাখছেন এবং পরবর্তী আপডেট আসার প্রত্যাশা করছেন।
আরও পড়ুনঃ Weather: ঘূর্ণাবর্ত-মৌসুমি অক্ষরেখার জেরে রাজ্যজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস! উত্তরবঙ্গ ভিজবে টানা বৃষ্টিতে, দক্ষিণবঙ্গেও বৃষ্টি ফিরছে মাঝসপ্তাহে
বর্তমানে তিলোত্তমার মা বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সরকারি চাপ ও চিকিৎসার মান নিয়ে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। আগামী দিনগুলোতে তার স্বাস্থ্যগত অবস্থা কেমন হবে এবং পরিস্থিতি কী রূপ নেবে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টরা সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন।





