ঠাকুর দেখতে গিয়ে ভয়ংকর কাণ্ড, নবমীর রাতে ঠাকুর দেখাতে নিয়ে যাওয়ার নামে নাবালিকাকে ‘গণধ’র্ষণ’! গ্রেপ্তার তিন যুবক

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে নবমীর রাতে আনন্দের আবহ ভেঙে ভয়াবহ ঘটনায় স্তম্ভিত এলাকা। ঠাকুর দেখতে যাওয়ার নাম করে এক নাবালিকাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে তিন যুবকের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সাটুই থানা এলাকার পোড়াডাঙ্গা গ্রামে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় প্রবল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে তিন অভিযুক্তকে এবং আদালত তাদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী এক যুবক নবমীর রাতে ঠাকুর দেখতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে নাবালিকাকে ডাকে। প্রতিবেশী হওয়ায় কোনো সন্দেহ হয়নি মেয়েটির কিংবা তার পরিবারের। নির্ধারিত সময়ে সে বেরিয়েও পড়ে। কিন্তু আনন্দের প্রতিশ্রুতির আড়ালে লুকিয়ে ছিল ভয়ঙ্কর ফাঁদ। সূত্রের খবর, ওই যুবকের দুই বন্ধু আগেই মদ্যপ অবস্থায় এক কার্লভাটে বসেছিল। এরপর তিনজন মিলে পরিকল্পনা করে নাবালিকাকে একটি নির্জন ইটভাটায় নিয়ে যায়।

অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানেই নাবালিকার উপর অকথ্য অত্যাচার চালানো হয়। তিন যুবক মিলে তাকে গণধর্ষণ করে। কোনোভাবে পালিয়ে এসে নির্যাতিতা বাড়ি ফিরে সবকিছু জানায় পরিবারের লোকদের। আতঙ্কিত পরিবার সঙ্গে সঙ্গে সাটুই ফাঁড়িতে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করে।

অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা হল সুব্রত ঘোষ, মনোজ ঘোষ এবং সুমন মণ্ডল। বৃহস্পতিবার তাদের বহরমপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতার শারীরিক পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং তদন্তের স্বার্থে নাবালিকার জবানবন্দি নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ Mur*der: একাদশীর ভোরে রাস্তায় গলা*কাটা যুবকের দেহ! পাশেই মদের বোতল, শিহরিত এলাকাবাসী!

এই ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে পোড়াডাঙ্গা গ্রাম ও আশপাশের এলাকা। দুর্গাপুজোর মতো আনন্দমুখর উৎসবের রাতে এমন নৃশংসতা সবাইকে হতবাক করেছে। নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়দের বক্তব্য, এই ঘটনা শুধু একটি পরিবারের নয়, গোটা সমাজের কাছে লজ্জার। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই পারে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ রুখতে।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles