গতকাল থেকেই রাজ্যে হইচই পড়ে গিয়েছে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের একটি মন্তব্যে। দিলীপ ঘোষ নাকি বাংলায় দুর্গোৎসব করতে বারণ করেছেন এরকমটাই উঠে এসেছে বাংলার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে। কিন্তু সত্যিই কি তাই? গতকাল দিলীপ ঘোষের প্রেস কনফারেন্সে রাজ্য বিজেপি সভাপতি এই মন্তব্যটি করেছিলেন যে রাজ্যে দুর্গোৎসব বন্ধ হোক কিন্তু তার আগে এবং পরে যে মন্তব্যগুলি তিনি করেছিলেন সেগুলি বাংলা সংবাদ মাধ্যমগুলি দেখালো না কেন? আসল লাইনগুলি কেটে শুধুমাত্র মাঝখান থেকে একটি লাইন নিয়ে সেটিকে শিরোনাম বানিয়ে যেভাবে সংবাদ পরিবেশন করা হল তাতে কি আদৌ সত্য প্রকাশ হলো?
এইদিন দিলীপবাবু স্পষ্ট বলেছেন, “আমিও পুজো কমিটিগুলো ও সাধারণ নাগরিকদের কাছে আবেদন করব দুর্গাপুজো অবশ্যই করুন তবে দুর্গা উৎসবটা এবার বন্ধ করুন। ভক্তি-শ্রদ্ধার সঙ্গে পুজো করুন। আরাধনার সঙ্গে মায়ের কাছে প্রার্থনা করুন করোনা মহামারি থেকে যেন তাড়াতাড়ি মুক্তি পেতে পারি। আমি মনে করি মায়ের আশীর্বাদে সেটা সম্ভব হবে।” এই কথাগুলো শুনে কোথাও কি মনে হচ্ছে যে তিনি এই বছর বাংলায় দূর্গাপুজো করতে বারণ করেছে?
তার পরের বক্তব্য,“ দিদিমণি উৎসব করতে বললেই চিন্তা হয়। হোলি উৎসব হয়নি, রামনবমী হয়নি, ঈদ মোবারক হয়নি।” এটাই কি আমাদের রাজ্যের বাস্তব চিত্র নয়? যেখানে এবছর ঈদ পালন করতে দেওয়া হলো না সেখানে দুর্গাপুজো নয় নয় করেও আড়ম্বর সহকারেই কিন্তু পালন করতে দেওয়া হচ্ছে পুজো কমিটি গুলোকে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলেন এই বছর সে ধর্মনিরপেক্ষতা কোথায় গেল? প্রকারান্তরে এই প্রশ্নই তুলেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি।
এ বছর দুর্গাপূজায় কমিটিগুলোকে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ এর ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন নির্দেশিকা দিয়ে পুজো করতে বলা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে এর বিরোধিতা করেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। তিনি লোক জমায়েত এর কথা চিন্তা করেই উৎসব তথা লোক জমায়েত বন্ধের কথা বলেছেন কিন্তু তার বক্তব্য শুনলে আপনি স্পষ্ট বুঝতে পারবেন তিনি দুর্গা পুজো করতে বারণ করেন নি।
দেখে নিন দিলীপবাবু ঠিক কী বলেছিলেন?





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!