সন্দেশখালি (Sandeshkhali) সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলার কী অবস্থান জানতে চেয়েছে আদালত। সন্দেশখালি সংক্রান্ত ৪২টি মামলা জমা পড়েছিল। এদিন তার অবস্থান জানতে চাইল আদালত। এই মামলাগুলির অবস্থান জানতে চাইল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। ওই মামলাগুলির দায়িত্ব নিতে চেয়েছে ইডি। তবে এখনই সেই দায়িত্ব কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দিতে রাজি নয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন প্রধান বিচারপতিকে বলতে শোনা যায়, সন্দেশখালি নিয়ে এক শতাংশ অভিযোগ সত্যি হয়, তাহলে সেটা লজ্জার।
এদিন হাইকোর্ট মন্তব্য করেন, “বাংলা মহিলাদের জন্য সুরক্ষিত বলে দাবী করা হয়। কিন্তু সন্দেশখালি (Sandeshkhali) কাণ্ডে যে যে অভিযোগ করা হয়েছে তার যদি একটিও সত্যি বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে সব দাবী মিথ্যে। একটা অভিযোগ সত্যি হওয়া মানে তা লজ্জাজনক বিষয়।” প্রধান বিচারপতি এদিন গোটা বিষয় নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব রাজ্য সরকারেরই।
আজ হাইকোর্টে ছিল এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি। মামলার শুনানিতে হাইকোর্ট জানিয়েছে, শাহজাহানের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত দায়ের হওয়া এফআইআর ও তার সেটের নথি মুখবন্ধ খামে রাজ্যকে জমা দিতে হবে। এই লোকের পাপী জমা দিতে হবে কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডিকেও। এ নিয়ে রাজ্য আপত্তি জানালেও তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট তীব্র নিন্দা করে। আইনজীবী প্রশ্ন করেন, শাহজাহানের বিরুদ্ধে মামলাগুলি আর্থিক দুর্নীতির নয় তবে কেন তথ্য চাইছে ইডি? এ প্রসঙ্গে এজেন্সির আইনজীবীর বক্তব্য, আছি দুর্নীতির তদন্তের নথি খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।
আদালত জানিয়েছে, “রাজ্যের রিপোর্ট জমা পড়ার পর খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যে তদন্ত কে করবে।” প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বর্তমান পরিস্থিতি জানতে পেরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সেই প্রেক্ষিতে সব রিপোর্ট খতিয়ে দেখবে আদালত। বৃহস্পতিবার এই মামলার রায় দেননি প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার শাহাজাহানের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ছাড়াও তাঁর মাছ ব্যবসা সংক্রান্ত অন্য একটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছে। এই দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছাড়াও শাহজাহানের আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্টের লেনদেনে নজরে রাখছে ইডি। ইতিমধ্যে শাহাজাহানের বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্ট থেকে ১৩৩ কোটি টাকার হদিশ পেয়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি।





