নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam Case) নতুন করে কিছু প্রভাবশালী নেতার নাম সামনে এসেছে। এই মামলায় এফআইআর দায়ের করেছিল রাজ্য সরকার। সেই এফআইআরে নাম ছিল জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য-সহ ৮ জনের। সেই মামলায় (Recruitment Scam Case) সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই মামলাতেই ফের আদালতে মুখ পুড়ল রাজ্যের।
পাহাড়ে এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam Case) সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য দ্বারস্থ হয় প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চে। আজ, মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি ছিল।
এদিন প্রধান বিচারপতি অনুপস্থিত থাকায় বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam Case) সিবিআই তদন্তের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে আদালিওতের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য। এদিন আদালত রাজ্যকে প্রশ্ন করে, “পাহাড়ে নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই তদন্ত হলে সমস্যাটা কোথায়?
সিবিআই তদন্তের উপর কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি আদালত। বরং এই মামলায় রাজ্যের থেকে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ১৮ এপ্রিল দুপুর ২টোয় এই মামলার (Recruitment Scam Case) শুনানি রয়েছে। আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয়নি আদালত। পরবর্তী শুনানির দিন সমস্ত তথ্য প্রস্তুত রাখার জন্য বলা হয়েছে রাজ্যকে।
উল্লেখ্য, পাহাড়ে শিক্ষাঙ্গনে নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam Case) অভিযোগ তুলে এক বেনামী চিঠি এসেছিল। সেই চিঠির ভিত্তিতেই স্কুল শিক্ষা দফতরের ডেপুটি সেক্রেটারি বিধাননগর উত্তর থানায় এফআইআর দায়ের করেন। সেই এফআইআরেই এবার প্রথম রাজ্য সরকারের তরফে উল্লেখ করা হয়েছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম। সেই মামলাতেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট।
সেই সময় এই নিয়ে কটাক্ষ করা হয়েছে বাম শিবিরের তরফে। বিশিষ্ট আইনজীবী তথা বামনেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এই প্রসঙ্গে বলেন, “রাজ্য সরকার এটা স্বতঃপ্রণোদিতভাবে করেনি। আদালতের নির্দেশে বাধ্য হয়ে করেছে। চাপে পড়ে কমিটি তৈরি হয়েছিল। তাঁরা তিন চারজনের নাম পেয়েছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দাখিল করার নির্দেশ ছিল গত ফেব্রুয়ারি মাসে”।





