গতকালই ইডি (ED) আই-প্যাকের (I-PAC) অফিসে অভিযান চালায়। এ নিয়ে রাজনীতির অঙ্গনে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে তরজা ছড়িয়ে পড়ে, যা আদালতের কাজকেও প্রভাবিত করেছে। এর ফলে সাধারণ দর্শক এবং কোর্টপ্রেমীদের আগ্রহের কেন্দ্রে এই ঘটনা চলে এসেছে।
কলকাতা হাইকোর্টে (Kolkata High Court) আইপ্যাক মামলার (I-PAC Hearing) শুনানি শুরুর আগেই কোর্টরুমে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। ভিড়ের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে, ফলে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ (Justice Shubhra Ghosh) শান্ত থাকার অনুরোধ করলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
বিচারপতি শেষ পর্যন্ত রাগে এজলাস ত্যাগ করেন। এই আচরণ থেকে বোঝা যায় যে মামলাটির চারপাশে রাজনৈতিক চাপ এবং জনসাধারণের আগ্রহ দুইই কতটা প্রভাব ফেলেছে। আদালত সূত্রের খবর, এজলাসের বাইরে ও ভিতরে উভয় জায়গায় উত্তেজনা দেখা দেয়।
শুনানির তারিখও স্থগিত করা হয়েছে এবং পরবর্তী শুনানি ধার্য করা হয়েছে ১৪ জানুয়ারি। এর ফলে মামলার প্রক্রিয়ায় সাময়িক ধীরগতি দেখা দেবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মামলাটি এখন আরও আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে।
আরও পড়ুনঃ “রাজ্য দ্বারা পরিচালিত লুটপাট” — রাজ্য সরকারের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির বাড়ির জন্যই ৪২ বার ক্ষতিপূরণ! CAG রিপোর্টের ভিত্তিতে মালদা বন্যাত্রাণে ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে মমতা সরকারকে তীব্র আক্র*মণ বিজেপির!
এই ঘটনায় আদালতের শৃঙ্খলা এবং আইন প্রণালী রক্ষার প্রশ্নও উঠেছে। সাধারণ নাগরিকদের আগ্রহ এবং আগামী শুনানিতে মামলার অগ্রগতি সকলের নজর কাড়বে সেটাই আশা করা হচ্ছে।





