ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক নিয়ে বছরের পর বছর ধরে সারা বিশ্বের নজর কেড়ে রাখছে নানা রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা। সীমান্ত থেকে সন্ত্রাসী হামলা, প্রতিরক্ষা নীতি এবং কূটনৈতিক টানাপড়েন—সবই সময়ে সময়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি করে। সম্প্রতি এই বিষয় নিয়ে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর প্রাক্তন কর্তা জন কিরিয়াকু। তার বক্তব্য সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
জন কিরিয়াকুর মতে, পাকিস্তানকে বোঝা উচিত যে, ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে নামলে তাদের খুব একটা লাভ হবে না। বরং আখেরে ক্ষতি হবে বেশি। তিনি বলেন, ‘‘যদি ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে প্রথাগত যুদ্ধ বাধে, তা পাকিস্তানের জন্য খুবই ক্ষতিকর হবে। কারণ যুদ্ধের ফলাফল তাদের জন্য অনুকূল হবে না।’’ তিনি এই প্রসঙ্গে পাকিস্তানের সংযত আচরণের গুরুত্বও উল্লেখ করেছেন।
সিআইএ প্রাক্তন কর্তা কিরিয়াকু ভারতের মাটিতে হওয়া বিভিন্ন বড় জঙ্গি হামলার কথা তুলে ধরেছেন। ২০০১ সালের সংসদে হামলা থেকে শুরু করে ২০১৬ সালের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, ২০১৯ সালের বালাকোট স্ট্রাইক এবং সম্প্রতি পহেলগাঁও হামলার পর অপারেশন সিঁদুর—সবই উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, বারবার হামলা হলেও ভারতের সংযত আচরণ দুই দেশের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
২০০১ সালের সংসদ হামলার পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। কিরিয়াকু উল্লেখ করেছেন, সেই সময় পাকিস্তানকে পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেন্টাগনের সহায়তা মিলেছিল। তৎকালীন পাক প্রেসিডেন্ট ও সেনাশাসক জেনারেল পারভেজ মুশারফ এই অস্ত্রভান্ডারের চাবিকাঠি পেন্টাগনের হাতে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। তবে সে সময় আমেরিকার মূল দৃষ্টি আল-কায়দা ও আফগানিস্তানের দিকে থাকায় ভারত-পাকিস্তানের উত্তেজনার দিকে তারা বিশেষ মনোযোগ দেয়নি।
আরও পড়ুনঃ Humayun Kabir: ‘তৃণমূলই তৃণমূলের শত্রু!’জেলা সভাপতিকে কাঠগড়ায় তুললেন হুমায়ুন কবীর!
জন কিরিয়াকু ২০১২ সালে সিআইএ-এর গুপ্ত তথ্য ফাঁস করার অভিযোগে গ্রেফতার হন এবং ৩০ মাসের জেল ভোগ করেন। তবে এই সময়ও তিনি থেমে থাকেননি। আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য তিনি প্রকাশ করেছেন। তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলো ভারত-পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!