Humayun Kabir: ‘তৃণমূলই তৃণমূলের শত্রু!’জেলা সভাপতিকে কাঠগড়ায় তুললেন হুমায়ুন কবীর!

নবাবগড়ে ফের তৃণমূলের অন্দরে ঝড়। বেশ কয়েক সপ্তাহের নীরবতার পর আবারও শিরোনামে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এবার তাঁর নিশানায় সরাসরি জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক দাবি করছেন, দলেরই জেলার কর্তা ইডির সাহায্যে জীবনকৃষ্ণ সাহাকে গ্রেফতার করিয়েছেন।

হুমায়ুনের অভিযোগ, “এই জেলা সভাপতি সঙ্ঘবদ্ধভাবে ষড়যন্ত্র করেছেন। জীবনকৃষ্ণ সাহার বাবা বিশ্বনাথ সাহাকে প্রভাবিত করে কীভাবে গ্রেফতার করানো হয়েছে, সব প্রমাণ আমার হাতে আছে।” তবে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, সব তথ্য সময়মতো প্রকাশ করবেন। এই বক্তব্যের পরেই জেলা রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র উত্তেজনা।

আসলে জীবনকৃষ্ণ ইস্যুটি নিয়ে হুমায়ুনের ইঙ্গিত আরও দূরগামী। অনুব্রত মণ্ডলের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “অনুব্রত তো তিহাড়ে দু’বছর ছিলেন, কিন্তু নেত্রী পরে তাঁকেই পুরোনো পদে ফিরিয়ে এনেছেন। সেই রকমই জীবনকৃষ্ণও ফিরে আসবেন।” তাঁর কথায়, “তৃণমূলের সবচেয়ে বড় শত্রু বাইরের কেউ নয়, তৃণমূলই তৃণমূলের শত্রু।” রাজনৈতিক মহলের মতে, এমন মন্তব্য সরাসরি দলীয় নেতৃত্বকেই অস্বস্তিতে ফেলছে।

উল্লেখ্য, হুমায়ুন কবীরের এটাই প্রথম বিতর্ক নয়। কয়েক মাস আগে তাঁকে নতুন দল গঠনের ইঙ্গিত দিতে শোনা গিয়েছিল। পরে অবশ্য তিনি উপরতলার সঙ্গে বৈঠক করে চুপ থাকেন কিছুদিন। কিন্তু ফের ধীরে ধীরে নিজের আগের ভঙ্গিতে ফিরেছেন এই তৃণমূল বিধায়ক। তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্যে আবারও স্পষ্ট, দলের ভেতরের অন্দরে এখনও ফাটল মেটেনি।

আরও পড়ুনঃ Festival Clash: উৎসবের ভিড়ে রণক্ষেত্র! সাউন্ড বক্স বন্ধ করতেই ক্ষোভের বিস্ফোরণ, ওসির উপর হাম*লা!

তবে এদিন শুধু অপূর্ব সরকার নন, সাংসদ ইউসুফ পাঠান সম্পর্কেও বলেছেন হুমায়ুন। তাঁর দাবি, “ভরতপুর কিংবা রেজিনগর— কোথাও সাংসদ তহবিলের টাকা খরচ করেননি ইউসুফ।” দলের একাংশের মতে, এই আক্রমণ আরও অস্বস্তি বাড়াচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে— এবার কি হুমায়ুনের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ উঠবে? না কি দল আবারও তাকে বোঝানোর চেষ্টা করবে? সময়ই এর উত্তর দেবে।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles