করোনার আবহে এতদিন দেশজুড়ে চলছিল লকডাউন পর্ব। কিন্তু গত ১লা জুন থেকে দেশ ধীরে ধীরে আগের অবস্থায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ১লা জুন থেকে শুরু হয়েছে আনলক-১ পর্ব। যার জন্য এখন বেশির ভাগ অফিসই খুলে গেছে। অন্যদিকে ট্রেন বা মেট্রো এখনও চালু হয়নি। অগত্যা অফিস যাত্রীদের একমাত্র ভরসা সরকারি বাস। মঙ্গলবার অবধি কোনো বেসরকারি বাসের দেখা মেলেনি রাস্তায়। অথচ রাজ্যে সরকারি বাসের সংখ্যা এতটাই নগণ্য যে একটি বাস পেতে দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তবে হাসপাতালের ডিউটিতে থাকা বাসগুলোকে এবার জনগণের পরিবহনের কাজে লাগানো হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী।
অন্যদিকে, কাল পর্যন্ত পরিবহণ দফতরের সঙ্গে বাস সংগঠনগুলোর বৈঠকে কোনও সমাধান সূত্র মেলেনি বলে জানা গেছে। কিন্তু বুধবার সকাল থেকেই শহরের রাস্তায় দেখা মিলল বেসরকারি বাসের। ‘কোভিড-নাইন্টিন স্পেশাল ফেয়ার’ এই নোটিসেই এখন ভাড়া বাড়িয়ে চলছে বেসরকারি বাসগুলি। তাতে অবশ্য আপত্তি করছেন না হয়রান যাত্রীরাও।
সূত্রের খবর, বর্তমানে বাসের নূন্যতম ভাড়া ৭ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১০ টাকা হয়েছে। এরপর ৯ টাকার ভাড়া হয়েছে ১৫ টাকা, ১০ ও ১১ টাকার ভাড়া বেড়ে হয়েছে ২০ টাকা। মিনিবাসের ক্ষেত্রে, ৮ টাকার ভাড়ার পরিবর্তে নেওয়া হচ্ছে ১০ টাকা এবং ১০ টাকার ভাড়া এখন ১৫টাকাতে পৌঁছেছ।
তবে যাত্রীদের দাবি, এই দু’দিন বেসরকারি বাস না থাকায় যাতায়াতে হয়রানি হয়েছে। এমনকি অনেককেই অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ট্যাক্সি অথবা অন্য কোনও গাড়িতে যাতায়াত করতে হয়েছে। সেই ভাড়ার থেকে বর্তমান বাসের ভাড়া বেশি দিলেও তাঁদের অনেক বেশি লাভ হচ্ছে।
অন্যদিকে আজ থেকে অটো-ট্যাক্সি, অ্যাপ ক্যাবের ক্ষেত্রেও যত আসন, তত যাত্রী নীতি চালু হয়েছে। ফেরি পরিষেবাতে দুই-তৃতীয়াংশ যাত্রীতে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এরপরও মানুষের ভিড় সামলাতে রাস্তায় নামবে আরও সরকারি বাস, আশ্বস্ত করেছেন পরিবহণমন্ত্রী।





