দেশে লকডাউন শিথিল হওয়া শুরু হয়েছে দীন দশেক হল। রাজ্যে ধীরে ধীরে খুলে গেছে সমস্ত সরকারি-বেসরকারি অফিস, রেস্তোরাঁ ও শপিং মল। এই তালিকা থেকে বাদ যায়নি ধর্মস্থলগুলিও। আগামীকাল শনিবার থেকে খুলছে দক্ষিণেশ্বরের মন্দির। বুধবার পুলিশ কমিশনারের পর্যবেক্ষণের পর একথা জানিয়েছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আগের মত সাধারণভাবে মন্দিরে আর ঢোকা যাবে না। ঢুকতে হবে বিভিন্ন রকমের নিয়ম মেনে। পুজো দিতেও মানতে হবে বিধিনিয়ম। সংক্রমণ থেকে বাঁচতে PPE পরবেন সেবায়েতরা।
প্রায় আড়াই মাস পর খুলছে মন্দির। মন্দিরে পুজো দেওয়ার সময়ও বদল করা হয়েছে। আগামীকাল থেকে রোজ সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ও বিকাল ৩.৩০টা থেকে ৬.৩০টা পর্যন্ত সেখানে পুজো দিতে পারবেন ভক্তরা।
জানা গিয়েছে, মন্দিরের মধ্যে ভিড় এড়াতে মোতায়েন থাকবেন নিরাপত্তারক্ষীরা। একসঙ্গে ৪০০ জনের বেশি মানুষকে মন্দির চত্বরে ঢুকতে দেওয়া হবে না। মন্দিরে ঢোকার আগে প্রত্যেকের হাত স্যানিটাইজ করতে হবে। সেইসঙ্গে হবে থার্মাল স্ক্যানিং।
শুধু তাই না, পুজো দেওয়াতেও থাকছে বিভিন্ন রকমের বিধি নিষেধ। পুজোয় ফুল বা সিঁদুর দেওয়া যাবে না বিগ্রহকে। শুধুমাত্র দেওয়া যাবে ফল ও মিষ্টি। তাও সেবায়েতের থেকে অন্তত ৬ ফুট দূরে থাকবে। মন্দিরের তরফে কোনও ফুল, সিঁদুর বা চরণামৃত কাউকে দেওয়া হবে না। মন্দিরের গর্ভগৃহে ঢুকতে পারবেন না কেউ। ১০ জন ভক্ত একসঙ্গে পুজো দিতে পারবেন।
আগে যেমন পুজো দেওয়ার পর মন্দির চত্বরে গঙ্গার ঘাটে মানুষজন যেতেন। এখন আর সেসব করা যাবে না। পুজো দেওয়ার পর মন্দিরের ভিতরে অকারণে ঘোরাঘুরি করা যাবে না। সোজা বেরিয়ে যেতে হবে মন্দির চত্বর থেকে। সংক্রমণ থেকে বাঁচতে PPE পরবেন সেবায়েতরা। সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনে পুজো করবেন তাঁরা।





