‘কষ্ট হচ্ছ’, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে মামলা থেকে সরানোয় মন খারাপ ধর্মতলায় ধর্নায় বসা চাকরিপ্রার্থীদের, কী জানালেন আন্দোলনকারীরা?

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতির মামলা থেকে সরানো হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। এই নির্দেশের জেরে মন ভেঙেছে ধর্মতলায় ধর্নামঞ্চের চাকরিপ্রার্থীদের। কী জানাচ্ছেন তারা?

চাকরিপ্রার্থীদের কাছে রীতিমতো ভগবান তুল্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। নিয়োগ দুর্নীতিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন তিনি। তাঁর শুনানির কারণেই অনেক অযোগ্যদের চাকরি বাতিল হয়ে সেই জায়গায় চাকরি পাচ্ছেন যোগ্য প্রার্থীরা। কিন্তু তাঁকে এই মামলা থেকে সরানো কোনওভাবেই যেন মেনে নিতে পারছেন না ধর্মতলায় গান্ধী মূর্তির সামনে ধর্নায় বসা এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীরা। আজ, তাদের এই আন্দোলন ৭৭৫ দিনে পড়ল।

এদিন সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের জেরে হতাশার সুর শোনা গেল ধর্নায় বসা চাকরিপ্রার্থীদের গলায়। তাদের কথায়, “শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির মান্যতা দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি রায় দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন যাঁরা গান্ধী মূর্তির পাদদেশে আন্দোলন করছেন তাঁরাই চাকরির উপযুক্ত প্রার্থী”।

বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়োগ দুর্নীতি মামলা থেকে সরানো হয়েছে, এই খবর শুনে চাকরিপ্রার্থীরা বলেন, “কষ্ট হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে নিতেই হবে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ের ফলে, রাজ্যে নিয়োগে যে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে সেই বার্তা গ্রাম বাংলার সকলের কাছে পৌঁছে গেছে। তিনিই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন দুর্নীতিবাজদের কীভাবে সাজা দিতে হয়, অযোগ্যদের চাকরি কীভাবে বাতিল করতে হয়”।

সুপ্রিমকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জন্য অন্য বিচারপতিকে নিয়োগ করতে হবে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে। সেই প্রসঙ্গে চাকরিপ্রার্থীরা জানান, “যে বিচারপতিই আসুক তিনি যেন ৭৭৫ দিনের আন্দোলনের কথা মাথায় রেখে বেঞ্চে বসেন এবং আমাদের ন্যায় বিচার দেন”।

RELATED Articles