হল স্বনামধন্য জ্যোতিষী জয়ন্ত শাস্ত্রীর। ঘটনাস্থল থেকে তার পুড়ে যাওয়া দগদগে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসা চলে তার। কিন্তু কিছু পরেই খবর আসে মৃত্যু হয়েছে জ্যোতিষীর। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন আগুনে প্রায় ৫০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল তার।
সকাল তখন সাড়ে আটটা, জয়ন্ত শাস্ত্রীর কেষ্টপুরের বারোয়ারিতলার বাড়ি থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। দাউ দাউ করে জ্বলছিল ঘর ও বারান্দা। তা দেখে তড়িঘড়ি বাড়ির দরজা খোলার চেষ্টা করেন প্রতিবেশীরা। কিন্তু কালো ধোঁয়ার কারণে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। এরপর খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। এরপর ঘরের দরজা ভেঙে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় জ্যোতিষীকে। ততক্ষণে আগুনের তাপ ও ধোঁয়ায় অচৈতন্য হয়ে পড়েছেন তিনি। প্রতিবেশীদের সাহায্যেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পরেই মৃত্যু হয় তাঁর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্ত্রীকে নিয়ে এই কেষ্টপুরের বাড়িতেই থাকতেন জয়ন্ত শাস্ত্রী। কিছুদিন হল তাঁর স্ত্রী কৃষ্ণনগরে বাপের বাড়িতে গেছেন। গতকাল রাতে একাই ছিলেন জ্যোতিষী। আগুন লাগার কারণ এখনও স্পষ্ট জানা যায়নি। তবে দমকলকর্মীদের অনুমান শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লেগেছে। এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করবে বলে জানা গিয়েছে।





