মেধা তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও জোটে নি চাকরি। এই নিয়ে অভিযোগ রয়েছে অনেক। এরই মধ্যে রাজপথে নেমে বিক্ষোভ দেখানোর সময় অসুস্থ হয়ে পড়লেন চাকরি প্রার্থীরা। আজ, রবিবার সকালেই তাদের ধর্মতলা থেকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। তবে তারা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবেন তারা।
চাকরিপ্রার্থীরা জানান, ২০১৭ সালে শারীরশিক্ষা ও কর্মশিক্ষায় নিয়োগের জন্য স্টেট লেভেল সিলেকশন টেস্ট অর্থাৎ এসএলএসটি পরীক্ষা দেন তারা। ২০১৮ সাল প্রকাশিত হয় ফল। সেই মেধা তালিকায় নামও ছিল তাদের কিন্তু তা সত্ত্বেও মেলেনি চাকরি।
এই কারণে ধর্মতলায় মাতঙ্গিনী হাজরার মূর্তির পাদদেশে অনশন শুরু করেন তারা। আজ সেই অনশনের দশম দিন। পরপর তিনবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের প্রতিশ্রুতি দিয়রছেন বলে জানান তারা। কিন্তু তাও চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়ে হয়েছে তাদের। এর আগে আচার্য ও বিকাশ ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন এই চাকরিপ্রার্থীরা। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।
জানা যায়, আজ, রবিবার সকালে তারা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ডেপুটেশন নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখান থেকে তাদের মধ্যে চারজনকে আটক করে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরই ধর্মতলায় অসুস্থ হয়ে পড়েন চারজন।
চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ, মৌখিক পরীক্ষা না দিয়েই অনেকে চাকরি পেয়ে গিয়েছেন। তাদের দাবী, মৌখিক পরীক্ষায় তাদের পেনসিল দিয়ে নম্বর দেওয়া হয়েছিল। চাকরিপ্রার্থীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে কোনও ভাবেই তারা অনশন ভাঙবেন না। তারা কোনও মামলা করেন নি, দীর্ঘদিন ধরে এই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। তাও অবিলম্বে তাদের চাকরিতে নিয়োগ করতে হবে।
বলে রাখি, এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। শুরুও হয়েছে তদন্ত। এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে একাধিক প্রাক্তন আধিকারিককে।





