যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় হোস্টেলে প্রথম বর্ষের ছাত্রের মৃত্যু নিয়ে এখনও রাজ্য উত্তাল। এরই মধ্যে এবার এসএসকেএমের হোস্টেলের শৌচাগার থেকে উদ্ধার হল এক নার্সিংয়ের ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ। কী কারণে এই ঘটনা, এখনও তা স্পষ্ট নয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ।
কী ঘটেছে ঘটনাটি?
জানা গিয়েছে, সুতপা কর্মকার নামে ওই তরুণী এসএসকেএমের নার্সিংয়ের ছাত্রী। দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন তিনি। নার্সিং হস্টেলে থাকতেন। তাঁর বাড়ি উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে। বৃহস্পতিবার সকালে হস্টেলের দোতলার শৌচাগারে মেলে ওই ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর দেওয়া হয় ভবানীপুর থানায়। তড়িঘড়ি খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে।
ওই ছাত্রীর বান্ধবীরা জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই সুতপা কথাবার্তা কমিয়ে দিয়েছিলেন। কারোর সঙ্গে মেলামেশাও করছিলেন না সেভাবে। কেন মন খারাপ, তা জানার চেষ্টা করেছিলেন বান্ধবীরা। কিন্তু সুতপা তাদের সেভাবে কিছু জানাননি বলে জানান বান্ধবীরা।
পুলিশ সুতপার মোবাইল ফোন সিজ করেছে। কল লিস্ট খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সুতপার বান্ধবী ও হস্টেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ। ক্লাসে কতটা মনোযোগী ছিলেন, তাঁর পরীক্ষার ফলও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধারের সময় যারা উপস্থিত ছিলেন ঘটনাস্থলে তাঁরা জনিয়েছেন, ওই ছাত্রী আচ্ছন্ন অবস্থায় ছিলেন। তাঁকে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত্যুর কারণ কী, তা জানা যায়নি এখনও। প্রাথমিক ভাবে আত্মহত্যা বলেই অনুমান। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।





