মহালয়া থেকেই মণ্ডপে ঠাকুর দেখা শুরু করে দিয়েছে শহরবাসী। শহরের একাধিক বড় বড় পুজোর উদ্বোধন হয়ে গিয়েছে। ফলে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে রাস্তায়। এখনই লম্বা লাইন মণ্ডপের বাইরে। এরপর পঞ্চমী থেকে জনজোয়ার আরও বাড়বে। মানুষের নিরাপত্তায় যাতে কোনও বিঘ্ন না ঘটে, সেজন্য তৎপর কলকাতা পুলিশ। পুজোর কলকাতায় থাকছে একেবারে আঁটসাঁট নিরাপত্তা।
গতকাল, সোমবার পুলিশ কমিশনারপ্রত্যেক পুলিশকর্তা, থানা ও ট্রাফিক গার্ডের আধিকারিকদের সঙ্গে পুজোর বৈঠকে করেন।থানা ও ট্রাফিক গার্ডের আধিকারিক ও কর্মীদের তিনি নির্দেশ দেন যাতে তারা শহরে যানজট রুখতে একসঙ্গে ব্যবস্থা নেন। যদি কোনও দুর্ঘটনা ঘটে, রাস্তায় যে আধিকারিক ডিউটিতে থাকবেন, তাঁকেই আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
লালবাজারের তরফে জানানো হয়েছে, চতুর্থীর বিকেল থেকেই কলকাতায় ট্রাফিক পুলিশ-সহ প্রায় আট হাজার পুলিশ নামবে। পঞ্চমী থেকে নবমী পর্যন্ত রাস্তায় থাকবে ১৪ হাজার পুলিশ। দায়িত্বে থাকবেন ১৮ জন ডিসি, ৮২ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার। ২০০ জন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক। ৩০ টি অ্যাম্বুলেন্স থাকবে শহরের বিভিন্ন জায়গায়। শহরে থাকবে ১৬টি ক্যুইক রেসপন্স টিম বা কিউআরটি।
এছাড়াও শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় মোতায়েন থাকবে পুলিশ। ৫১টি ওয়াচ টাওয়ারে নাইট বাইনোকুলার নিয়ে নজর রাখবে পুলিশ। সাতটি ঘাটে হবে ওয়াচ টাওয়ার।
এছাড়াও থাকবে –
- কুইক রেসপন্স টিম ১৬টি
- অ্যাম্বুল্যান্স ৩০টি
- ডিএমজি টিম ৩০টি
- হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড ১৩টি
- পিসিআর ৩০টি
- ৯টি মোবাইল পুলিশ অ্যাসিস্ট্যান্ট ভ্যান ও সঙ্গে সিটি ওয়াচ বাইক
- ২০টি মহিলা পুলিশের ‘উইনার্স’ টিম
সোমবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “কোনও কোনও নেতানেত্রী পাইলট লাগিয়ে পুজো দেখতে যান আপত্তি আমাদের নেই। কিন্তু তার জন্য রাস্তা বন্ধ হবে না। কোনওরকম বিশেষ কেয়ার, কেউ বন্ধ করে দিল রাস্তা, সেটা যেন না হয়। আমি যদি কোনও রাস্তা বন্ধ দেখি নিজেই অ্যাকশন নেব”।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার