দাবী অনুযায়ী টাকা না দেওয়ায় লরিচালককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে, মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর হুমকি

রাতের শহরে কলকাতা পুলিশের জুলুমবাজি। পণ্যবাহী লরি থেকে টাকা তোলার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার ভিডিও করায় ওই লরির চালককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগও উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় বাসচালকদের সংগঠন অল ড্রাইভ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশি হেনস্থার জন্য প্রতিবাদ করে বিক্ষোভ দেখায় ওই সংগঠন।

কী ঘটেছে গোটা ঘটনাটি?

এই ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার রাতে ঠাকুরপুকুর ৩এ বাসস্ট্যান্ডের কাছে। জানা গিয়েছে, এদিন বিহার থেকে ঠাকুরপুকুরের দিওকে আসছিল একটি পণ্যবাহী লরি। সেই সময় ঠাকুরপুকুর ৩এ বাসস্ট্যান্ডের কাছে ওই লরিটিকে আটকায় কলকাতা পুলিশ। গাড়ির চালকের থেকে ২০০ টাকা চাওয়া হয়। তবে সেই টাকা দিতে রাজি হন নি গাড়ির চালক ও মালিক।

সেই সময় পুলিশ রাস্তার পাশে লরিটিকে দাঁড় করাতে বলে। গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চাওয়া হয়। লরির মালিকের দাবী, সমস্ত কাগজপত্র ঠিকঠাক রয়েছে দেখে সেখানে উপস্থিত পুলিশ কর্মীরা হুমকি দিতে থাকেন। অভিযোগ, মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। এই গোটা ঘটনাটির ভিডিও করছিলেন লরির চালক।

তা দেখেই চালকের উপর চড়াও হয় পুলিশ কর্মীরা। চালককে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মারধরের পর ঘটনাস্থলে থেকে চলে যান দু’জন পুলিশকর্মী। এই ঘটনায় গতকাল, শনিবার লরির মালিক, চালক ও বাসচালকদের সংগঠন অল ড্রাইভ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কর্মীরা ঠাকুরপুকুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশের এমন জুলুমবাজির প্রতিবাদে বিক্ষোভও দেখান তারা।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাত আড়াইটে নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। এরপরই রাত তিনটে নাগাদ ওই ঠাকুরপুকুরের কাছেই সখেরবাজারে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় এক বাইকআরোহীর। দুর্ঘটনার পর অনেকক্ষণ ধরে ঘটনাস্থলেই পড়েছিলেন মৃত বাইকআরোহী। সেই সময় কোনও পুলিশের দেখা মেলেনি বলে অভিযোগ। অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলে পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

RELATED Articles